Posts of - August 10, 2023

জম্পুই পাহাড় জুড়ে আতঙ্ক, বড় বড় ফাটলের মিলছে না সুরাহা, গ্রামবাসীদের নিরাপদ স্থানে সরে হওয়ার আদেশ মহকুমা প্রশাসনের
জিওলজিক্যাল সার্ভের প্রযুক্তিবিদরা ব্যার্থ। জম্পুই পাহাড়ের ত্লাক্সি গ্রামের বিভিন্ন স্থানে বিশাল ফাটলের মিলছে না কোন সুরাহা । ভয়াবহ পরিস্থিতিতে গোটা জম্পুই পাহাড় জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে । পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে মহকুমা শাসকের তরফ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । ক্ষতিগ্ৰস্থ গ্রামবাসিরা ভয়ে নিরাপদ স্থানে চলে গিয়েছে । এদিকে বুধবার জম্পুই পাহাড়ে সেচ্ছাসেবক টিম পাঠানো হয়েছে। ল্যন্ডসলাইটের কারণে কোন ধরণের দুর্ঘটনা ঘটলে তড়িঘড়ি উদ্ধার কাজ চালানোর জন্যই আগে থেকেই সেচ্ছাসেবক দলকে তৈরি রাখা হয়েছে। অপরদিকে কাঞ্চনপুর থেকে জম্পুই যাওয়ার রাস্তা মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় জম্পুই যাওয়ার পথে পাহাড়ের উপর থেকে ধস পড়তে পারে বলে আশংকা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ত্লাক্সি গ্রামের ক্ষতিগ্ৰস্থ পরিবার গুলি বুধবার এলাকা ছেড়ে চলে গেছে । এই ঘটনায় গোটা জম্পুই জুড়ে এখন আতংক বিরাজ করছে । এদিকে ভারত সরকারের নির্মাণ সংস্থা এন এইচ আই সি ডি এলের স্থানীয় প্রকৈশলীরা জানায় পাহাড়ের মাটি লুস মাটির জন্য এই অবস্থা হচ্ছে বলে তারা মনে করছে । এন এইচ এস আই ডি সি এলের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায় প্রযুক্তিবিদরা এসে ফাটল সম্পর্কে কোন সুরাহা করতে পারছে না। অপরদিকে জম্পুই পাহাড়ের ফাটল ক্রমশ বেড়েই চলছে । এখন পর্যন্ত আটটি পরিবার পুরোপুরি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে । ঘরের ওয়াল ভেঙ্গে সম্পুর্ন বসত বাড়িই তলিয়ে যাচ্ছে। এভাবে চৌদ্দপুরুষের বসবাস করা বাড়ি তলিয়ে যেতে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন গ্ৰামবাসী। কিন্তু প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা চোখের সামনে সবই নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে ত্যালকসী বাসীকে।
আমার মাটি আমার দেশ কর্মসূচি থেকে বনসংরক্ষনের নির্দেশ ছাত্রছাত্রীদের, সাতচাঁদব্লকেগার্দাং দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ে হয় অনুষ্ঠান
আমার মাটি আমার দেশ কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে সাতচাঁদ ব্লকের অন্তর্গত গার্দাং দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ে জাতীয় সেবা প্রকল্পের উদ্যোগে ও মনুবাজার বন দপ্তরের সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয় এক বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান। এই বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ, দক্ষিণ জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল বিশ্বাস, এস এম সি কমিটির চেয়ারম্যান কমল কৃষ্ণ সেন ও এলাকার অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা জোয়ান। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা সহ ছাত্র ছাত্রী ও এস এম সি কমিটির সদস্য সদস্যরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের হাত ধরে উদ্ভোধনের পর অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষন রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল বিশ্বাস। এরপর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত ও বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ। বিধায়ক তার ভাষনে বলেন বন ধ্বংসের কারণে পৃথিবী আজ এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে দাড়িয়ে। আমরা আমাদের প্রয়োজনে অনবরত বনধ্বংস করে চলছি কিন্তু সে পরিমাণে আমরা বৃক্ষ রোপণ করিনা। তিনি বলেন এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে একদিন পৃথিবী থেকে জীবের অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে। এজন্য তিনি এই বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান থেকে ছাত্র ছাত্রী সহ সমস্ত অংশের মানুষকে বন সংরক্ষণে আরো বেশি করে এগিয়ে আসার আহ্বান রাখেন। এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত। এদিনের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের দ্বারা অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতির সংক্ষিপ্ত ভাষনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান। এদিনের বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অবসর প্রাপ্ত দুই সেনা জোয়ানকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা।


































