জয়পুর, ৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): রাজস্থানের কোটায় তিন বছরের এক শিশুকন্যার কথিত যৌন নির্যাতনের ঘটনায় সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে ডিএনএ নমুনা, ফরেনসিক প্রমাণ এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শিশুটির বয়স খুব কম হওয়ায় সে ঘটনার বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু জানাতে পারছে না। ফলে তদন্তকারীরা বৈজ্ঞানিক ও অন্যান্য সহায়ক প্রমাণের ওপর নির্ভর করছেন।
কোটা জেলায় তিন বছরের এক শিশুকন্যার কথিত যৌন নির্যাতনের অত্যন্ত স্পর্শকাতর ঘটনা সামনে এসেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পকসো আইনসহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি সাধারণত বাড়িতেই থাকে এবং বাড়ির কাছের একটি প্লে স্কুলে যায়। সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে এক শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় শিশুটির কোমর ও যৌনাঙ্গের আশপাশে ব্যথা ও ফোলা লক্ষ্য করা যায়। চিকিৎসকের সন্দেহ হয়, শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকতে পারে। এরপর তিনি বিষয়টি পরিবারকে জানান। পরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশের দ্বারস্থ হন।
কোটা সিটির পুলিশ সুপার তেজস্বিনী গৌতম জানিয়েছেন, পকসো আইন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহিলা হয়রানি তদন্ত সেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকেশ সাংখলার তত্ত্বাবধানে তদন্ত চলছে।
শিশুটির পরিবারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ প্লে স্কুলের কয়েকজন পুরুষ কর্মীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে। ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-এর একটি দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহ করেছে।
তদন্তকারীরা সংগৃহীত ফরেনসিক প্রমাণ ও ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণ করে সেগুলির সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নমুনার কোনও মিল রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও পরীক্ষা করা হচ্ছে, যাতে শিশুটির গতিবিধি এবং ঘটনার আগে বা পরে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায়।
তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ এখনও অভিযুক্তের পরিচয় নিশ্চিত করেনি। ফরেনসিক ও অন্যান্য প্রমাণ বিশ্লেষণের পর তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
(আইএএনএস)
























