News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক অগ্রগতি, ৯৫ শতাংশ বিদ্যুৎ বিতরণ শক্তিশালীকরণ কাজ সম্পন্ন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
Image

ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক অগ্রগতি, ৯৫ শতাংশ বিদ্যুৎ বিতরণ শক্তিশালীকরণ কাজ সম্পন্ন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আগরতলা, ৩১ মে: এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের ৯৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ত্রিপুরার বিদ্যুৎ খাতে এই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ।

তিনি আরও জানান, স্মার্ট মিটার স্থাপনের কাজ চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হবে। একই সঙ্গে পিএম জনমন প্রকল্পের কাজ শেষ,  ধরতি আবা জনজাতীয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযান প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে, যা জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হবে।

রাজ্য অতিথিশালায় কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ, আবাসন ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর এবং মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরার বর্তমান সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ৫৪২ মেগাওয়াট। রাজ্যের নিজস্ব প্রাপ্যতা ৩৬৫ মেগাওয়াট, এবং বাকি ১৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাজার থেকে ক্রয় করতে হয়। মূলত গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ প্রাপ্যতায় প্রভাব পড়ছে।

তিনি বলেন কেন্দ্র সরকারের আর্থিক সহায়তা রাজ্যে অত্যন্ত কার্যকর হয়েছে। ২০১৮ সালে যেখানে এটিএসসি লস ছিল ৪০ শতাংশ, তা এখন কমে ১৮.২৩ শতাংশে নেমে এসেছে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী স্মার্ট মিটার স্থাপনের কাজ চলছে। রাজ্যের সব ১১ কেভি ফিডার এবং ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারে ইতিমধ্যেই স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৩,৫৫,১৫৮ জন গ্রাহককে স্মার্ট মিটারের আওতায় আনা হয়েছে এবং বাকি ২,১৬,১৪৪ জন গ্রাহককে চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে যুক্ত করা হবে।

তিনি আরও জানান, সরকারি অফিসে ৫,৮৯৪টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ৫,৩৪৭টি স্ট্যান্ড-অ্যালোন প্রিপেইড মিটার চালু রয়েছে। ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো ত্রিপুরায় এই ধরনের প্রিপেইড মিটার ব্যাপকভাবে স্থাপন করা হয়েছে। রাজ্যে মোট ১,৫৯,০১৩টি স্ট্যান্ড-অ্যালোন প্রিপেইড মিটার বসানো হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আরডিএসএস প্রকল্পের আওতায় লস রিডাকশন সংক্রান্ত কাজের ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হবে। পিএম – জনমন প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। ডিএ-জেজিইউএ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং চূড়ান্ত কাজ জুনের মধ্যে শেষ হবে। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বিতরণ শক্তিশালীকরণ প্রকল্প চলছে, যা ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে। একই সহায়তায় ১৩২০ কোটি টাকার প্রকল্পে রুখিয়া ৬৩ মেগাওয়াট ওপেন সাইকেল গ্যাস টারবাইনকে ১২০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল গ্যাস টারবাইনে রূপান্তর করা হচ্ছে, যা ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর মুক্ত বিদ্যুৎ যোজনার অধীনে রাজ্যে এখন পর্যন্ত ১২.১১ মেগাওয়াট ছাদ-সৌর বিদ্যুৎ স্থাপন করা হয়েছে এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ মেগাওয়াট।

————-

Releated Posts

রাজ্য সরকার রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও পর্যটন স্থানগুলির উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ জুলাই: রথযাত্রা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি হচ্ছে সব ধর্মের মানুষের পরস্পরের মধ্যে…

ByByReshmi Debnath Jul 15, 2026

কোনও অবস্থাতেই যেন দূরবর্তী অঞ্চলের সাহায্য প্রার্থীরা বঞ্চিত না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ জুলাই: মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষুর ৭০তম পর্বে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা আজ ভার্চুয়ালি উত্তর ত্রিপুরা…

ByByReshmi Debnath Jul 15, 2026

ত্রিপুরা পুলিশের বড় রদবদল, ৭ থানার ওসি-সহ ১২ আধিকারিকের বদলি

আগরতলা, ১৫ জুলাই: থানা স্তরে বড় ধরনের রদবদল করল ত্রিপুরা পুলিশ। আজ ত্রিপুরা পুলিশ সদর দপ্তরের এক নির্দেশিকায়…

ByByTaniya Chakraborty Jul 15, 2026

রোগী স্বার্থে জিবি হাসপাতালে একাধিক সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তা ও পরিষেবায় বাড়ছে নজরদারি

আগরতলা, ১৫ জুলাই: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. মানিক সাহা আগরতলার জিবি হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করার একদিন…

ByByTaniya Chakraborty Jul 15, 2026
Scroll to Top