News Flash

  • Home
  • বাণিজ্য
  • ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতের ডেটা সেন্টার ক্ষমতা ৩ গিগাওয়াট ছাড়াবে: রিপোর্ট
Image

২০২৮ সালের মধ্যে ভারতের ডেটা সেন্টার ক্ষমতা ৩ গিগাওয়াট ছাড়াবে: রিপোর্ট

নয়াদিল্লি, ২৯ মে (আইএএনএস) : হাইপারস্কেলার সংস্থাগুলির বাড়তি চাহিদা, দ্রুত বাড়তে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর কাজের চাপ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারতের অনুকূল পরিবেশের জেরে ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ দেশের ডেটা সেন্টার (ডিসি) ক্ষমতা ৩ গিগাওয়াট (জিডব্লিউ) ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে এক রিপোর্টে।

শুক্রবার প্রকাশিত সিবিআরই-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে ভারতে মোট ডেটা সেন্টার ক্ষমতা প্রায় ১,৭০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ২০২৬ সালে আরও প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেটা সেন্টার স্টক বলতে একটি দেশের সব ডেটা সেন্টারে উপলব্ধ মোট কম্পিউটিং অবকাঠামো ক্ষমতাকে বোঝায়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, দ্রুত বাড়তে থাকা লাইভ ক্যাপাসিটি, বড় বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং উন্নত পরিকাঠামোর কারণে ভারত এখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ ডেটা সেন্টার বাজার হিসেবে উঠে এসেছে।

ভারত বর্তমানে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মূল ভূখণ্ড চীন এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে একই স্তরে অবস্থান করছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিবিআরই-র ইন্ডিয়া, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, মিডল ইস্ট ও আফ্রিকার চেয়ারম্যান ও সিইও অংশুমান ম্যাগাজিন বলেন, “কম বাধাসম্পন্ন উন্নয়ন পরিবেশ, দ্রুত প্রসারমান ডিজিটাল অর্থনীতি এবং হাইপারস্কেলার সংস্থাগুলির আগ্রাসী বিনিয়োগ ভারতের ডেটা সেন্টার বাজারকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্ষেত্রে পরিণত করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “এআই নির্ভর কাজের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু ক্লাউড নয়, নিওক্লাউড, গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (জিসিসি) এবং বিভিন্ন সংস্থার চাহিদাও বাড়ছে। ফলে ২০২৮ সালের পরেও ভারতের ডেটা সেন্টার ক্ষমতা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাবে।”

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বিদ্যুৎ ঘাটতি, নির্মাণ ব্যয়, দক্ষ কর্মীর অভাব এবং পরিবেশগত বা সামাজিক ঝুঁকির মতো উন্নয়ন সংক্রান্ত বাধা ভারতে তুলনামূলকভাবে কম। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বড় বাজারগুলির মধ্যে ভারতই একমাত্র দেশ, যেখানে এই ধরনের বাধা “নিম্ন” পর্যায়ে রয়েছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “এই কাঠামোগত সুবিধার বাস্তব প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। মুম্বই এখনও দেশের প্রধান ডেটা সেন্টার কেন্দ্র হিসেবে রয়েছে, যেখানে ৮০০ মেগাওয়াটের বেশি ক্ষমতা রয়েছে এবং আরও ৭৫০ মেগাওয়াটের প্রকল্প নির্মাণাধীন বা পরিকল্পনায় রয়েছে।”

এছাড়া চেন্নাই, হায়দরাবাদ এবং দিল্লি-এনসিআর দ্রুত হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের নতুন গন্তব্য হিসেবে উঠে আসছে। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু এখনও এন্টারপ্রাইজ কোলোকেশন চাহিদার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে রয়েছে।

Releated Posts

আরবিআইয়ের সম্পদ বৃদ্ধি ২০.৬ শতাংশ, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ব্যালান্স শিট পৌঁছাল ৯১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকায়

মুম্বই, ২৯ মে (আইএএনএস) : দেশীয় বিনিয়োগ, সোনার মজুত এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জেরে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক…

ByByTaniya Chakraborty May 29, 2026

ওড়িশায় সেমিকন্ডাক্টর সাবস্ট্রেট উৎপাদনে ইন্টেল ও ৩ডিজিএস-এর সঙ্গে চুক্তি, জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

নয়াদিল্লি, ২৯ মে (আইএএনএস) : ভারতে সেমিকন্ডাক্টর সাবস্ট্রেট উৎপাদন প্রযুক্তি আনার লক্ষ্যে ওড়িশা সরকার ইন্টেল এবং ৩ডি গ্লাস…

ByByTaniya Chakraborty May 29, 2026

দেশে পেট্রোল-ডিজেলের কোনও সামগ্রিক ঘাটতি নেই: ইন্ডিয়ান অয়েল

নয়াদিল্লি, ২৩ মে (আইএএনএস) : দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের কোনও সামগ্রিক ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল। শনিবার…

ByByTaniya Chakraborty May 23, 2026

যশবন্ত কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের লাইসেন্স বাতিল করল আরবিআই

মুম্বই, ১৯ মে (আইএএনএস): পর্যাপ্ত মূলধন ও আয়ের সম্ভাবনার অভাবের কারণে মহারাষ্ট্রের ফালতনের যশবন্ত কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের লাইসেন্স বাতিল…

ByBySandeep Biswas May 19, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top