News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • টানা বৃষ্টিতে ত্রিপুরার ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিধ্বস্ত, ক্ষতির পরিমাণ ৫৯ কোটি টাকা: কৃষি মন্ত্রী
Image

টানা বৃষ্টিতে ত্রিপুরার ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিধ্বস্ত, ক্ষতির পরিমাণ ৫৯ কোটি টাকা: কৃষি মন্ত্রী

অগরতলা, ২ মে: প্রবল বৃষ্টিপাত কৃষি ও উদ্যানপালনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। জলাবদ্ধতা, বন্যা, মাটিক্ষয় ও ফসল নষ্টের মাধ্যমে বিশেষ করে নিম্নাঞ্চলে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। 

 ত্রিপুরার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান, গত ২৭ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল টানা তিন দিনে রাজ্যে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৩৩.৯ মিলিমিটার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কমলপুরে (২৮৩ মিলিমিটার), বিশ্রামগঞ্জে (২৭৮ মিলিমিটার) এবং খোয়াইয়ে (২৩০ মিলিমিটার)।

তিনি জানান রাজ্যের মোটকৃষি জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৫৪০ হেক্টর। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৬ হাজার ১০৫ হেক্টর কৃষি ও উদ্যানপালন এলাকা বৃষ্টির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মন্ত্রী তথ্য দিয়ে বলেন, কৃষি ও উদ্যানপালন মিলে  ফসল উৎপাদনের ক্ষতি প্রায় ২১ হাজার ৬৩৫ মেট্রিক টন। যার আনুমানিক মূল্যহানি ৫৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এ বিপর্যয়ে আক্রান্ত কৃষকের সংখ্যা ৩২ হাজার ৮৯৫ জন।

তিনি বলেন আটটি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ জেলা সেখানে উৎপাদন ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার ৪৭০ মেট্রিক টন। তুলনামূলকভাবে খোয়াই জেলায় ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে কম, যা ৪৬৩ মেট্রিক টন।

মন্ত্রী কৃষকদের ঈশ্বরের রূপ আখ্যা দিয়ে বলেন, তাঁরাই আমাদের অন্নদাতা । বর্তমান রাজ্য সরকার কৃষকদের মঙ্গল ও উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাহায্যে ইতিমধ্যেই কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। 

তিনি বলেন দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য, জেলা ও মহকুমা স্তরে নোডাল আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা ও মহকুমা স্তরে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল (কুইক রেসপন্স টিম) গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ফসলের ক্ষয়ক্ষতি জিও-ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক মূল্যায়নের জন্য দপ্তরের মাঠকর্মীদের সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। জমি থেকে অতিরিক্ত জল বের করে দেওয়ার জন্য নিষ্কাশনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে ধান ও শাকসবজির জমি থেকে।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান রাজ্য সরকার সব সময় কৃষকদের পাশে রয়েছে, কারণ কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন ছাড়া রাজ্য ও দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষকরাই এই অর্থনীতির মেরুদণ্ড।

Releated Posts

সিডব্লিউজি ২০২৬: ‘এই সোনা যোগীজির জন্যও, যিনি আমাকে সমর্থন করেছেন’, জুডোয় সোনা জিতে বললেন অস্মিতা দে

গ্লাসগো, ৩১ জুলাই (আইএএনএস): কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জনের পর ভারতের জুডোকা অস্মিতা দে তাঁর…

ByBySandeep Biswas Jul 31, 2026

সন্ত শিরোমণি রবিদাসের ৬৫০তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগরতলায় পৌঁছাল পবিত্র মঙ্গল কলস

আগরতলা, ৩১ জুলাই: সন্ত শিরোমণি রবিদাসের ৬৫০তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তাঁর জন্মভূমি থেকে আনা পবিত্র মাটি শুক্রবার আগরতলার মহারাজা বীর…

ByByReshmi Debnath Jul 31, 2026

গ্রামের আর্থিক, সামাজিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নেই জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি: কৃষি মন্ত্রী

আগরতলা, ৩১ জুলাই: গ্রামকে শক্তিশালী করাই একটি শক্তিশালী রাজ্য ও দেশের ভিত্তি। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…

ByByReshmi Debnath Jul 31, 2026

কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬: জুডোয় মহিলাদের ৪৮ কেজিতে সোনা জিতলেন অস্মিতা দে, ভারতের পদক ভাণ্ডারে আরও সাফল্য, গর্বিত ত্রিপুরা

গ্লাসগো, ৩১ জুলাই (আইএএনএস): কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ ভারতের পদক জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে জুডোয় মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগে…

ByBySandeep Biswas Jul 31, 2026
Scroll to Top