নয়াদিল্লি, ১৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ভারত ও কানাডার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জয়শঙ্কর লেখেন, “আজ সন্ধ্যায় কানাডার বিদেশমন্ত্রী অনিতা আনন্দের সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগল। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।”
চলতি মাসের গোড়াতেই ভারত ও কানাডার মধ্যে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশনস (এফওসি) অনুষ্ঠিত হয়। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের জুনের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে যে ধারাবাহিক গতি এসেছে, এই বৈঠক তারই অগ্রগতি আরও এগিয়ে নিয়ে গেছে।
২ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিদেশ মন্ত্রকের সচিব (পূর্ব) রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন। কানাডার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার ডেপুটি মিনিস্টার অরুণ থাঙ্গারাজ।
বৈঠকে জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং কনস্যুলার বিষয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। দুই দেশই প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও সরকারি পর্যায়ে আলোচনার ধারাবাহিকতা আরও শক্তিশালী করার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
বিদেশ মন্ত্রক জানায়, চলতি বছরের শেষের মধ্যে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা শেষ করার বিষয়ে দুই দেশ তাদের অভিন্ন প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ৭০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারে পৌঁছনোর লক্ষ্যও রয়েছে।
গত মাসে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও ভারত ও কানাডার মধ্যে আর্থিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। টরন্টোয় ভারত-কানাডা বিজনেস রাউন্ডটেবিলে তিনি বলেন, ভারত তার বৃহৎ বাজার, প্রবৃদ্ধি ও সুযোগ নিয়ে আসছে, অন্যদিকে কানাডার রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা।
























