News Flash

  • Home
  • দেশ
  • ফের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী
Image

ফের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী

পূর্ব বর্ধমান, ২ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : বোলপুরের পর পূর্ব বর্ধমানের সভামঞ্চ থেকেও ফের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “আমি জানি কী করে কী করতে হয়।”

বিশ্বভারতী এবং রাজ্য সরকারের বেনজির সংঘাতে বৃহস্পতিবার বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতি পেশের পরদিনই ফের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নাম না করে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিশ্বভারতীতে ছাত্রদের উপর জুলুম চলছে। ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপকদের উপর অবিচার হচ্ছে। আদালতে মামলা চলছে। কী বলে দেখি। তারপর জনগণের আদালতে বিচার হবে। আমি বিশ্বভারতীর পড়ুয়া থেকে অধ্যাপকদের পাশে আছি। আমি জানি কী করে কী করতে হয়।”

বিশ্বভারতীর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “বিশ্বভারতীকে নিয়ে জনসমক্ষে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করা অস্বাভাবিক নয়। মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন। তাঁকে তাঁর স্তাবকরা যা শোনান তাই বিশ্বাস করেন। আপনি চোখ দিয়ে দেখুন। কান দিয়ে নয়। তথ্য ও প্রমাণ দেখে মত তৈরি করুন। মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ না থাকলে আমাদের সুবিধা। বিশ্বভারতী প্রধানমন্ত্রীর মতাদর্শে চলতে অভ্যস্ত।”

রাজ্যের নেতামন্ত্রীদের গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গ তুলেও মমতাকে নিশানা করে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বিবৃতিতে উল্লেখ করে, “আজ আপনার মন্ত্রী ও উপাচার্য গারদের ভিতরে কী করে হল? আপনি স্তাবকদের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেই বিধ্বস্ত। আপনার প্রিয় শিষ্য যাকে না হলে আপনি বীরভূম ভাবতে পারতেন না, তিনিও জেলে। কবে বেরবেন কেউ জানে না। আগে সাবধান করলে আপনি দুর্নাম থেকে বাঁচতে পারতেন। অবশ্য আপনি যদি সত্যি অর্থে মানুষের মুখ্যমন্ত্রী হন, তাহলে এই কথাটা আপনার বোধগম্য হবে। আর যদি স্তাবক পরিবৃত্ত থাকতে ভালবাসেন তাহলে সামনে আরও বিপদের সম্মুখীন হবেন।” মুখ্যমন্ত্রী এবং বিশ্বভারতীর দ্বৈরথকে ভাল চোখে দেখছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রেজিস্ট্রার সবুজকলি সেন। বিবৃতির ভাষা অত্যন্ত নিন্দাজনক বলেই মত তাঁর।

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জমি নিয়ে সংঘাত নিয়ে সমস্যার সূত্রপাত। চলতি জেলাসফরের শুরুতেই অমর্ত্য সেনের বাসস্থান ‘প্রতীচী’তে যান। অর্থনীতিবিদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেন। মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর আন্দোলনকারী পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের সঙ্গে বৈঠকও সারেন মমতা। আর তারপর থেকেই যেন সংঘাতের ঝাঁজ আরও জোরাল হয়েছে। বুধবার বোলপুরের জনসভার মঞ্চ থেকে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি পাঠানোর হুঁশিয়ারিও দেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিবৃতি জারি করে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মমতাকে কুরুচিকর আক্রমণ করে।

Releated Posts

বাঁকিপুরে জয় নয়, বিজেপির পরাজয়ই বড় বার্তা: প্রশান্ত কিশোর

পাটনা, ৪ আগস্ট (আইএএনএস): বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলকে জন সুরাজ পার্টির জয়ের চেয়ে বিজেপির পরাজয় হিসেবেই বেশি…

ByByNews Desk Aug 4, 2026

পাঞ্জাব ভোটের আগে রাজনৈতিক দলগুলিতে অনুপ্রবেশের ছক আইএসআই-এর? গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা

নয়াদিল্লি, ৪ আগস্ট (আইএএনএস): পাঞ্জাবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলিতে খালিস্তানপন্থী সমর্থকদের অনুপ্রবেশ ঘটানোর চেষ্টা…

ByByNews Desk Aug 4, 2026

মন্ত্রীদের ছেলেদের ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলার ছক? জইশ-যোগে ধৃত চক্রের তদন্তে নতুন তথ্য, খতিয়ে দেখছে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ

নয়াদিল্লি, ৪ আগস্ট (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর হাতে ধরা পড়া জইশ-ই-মহম্মদ (জেইএম)-যোগের সন্দেহভাজন একটি মডিউলের তদন্তে…

ByByNews Desk Aug 4, 2026

নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী থাকলে বাঁকিপুরে বিজেপি হারত না, দাবি জেডিইউ বিধায়ক অনন্ত সিংহের

পাটনা, ৪ আগস্ট (আইএএনএস): বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের জন্য নেতৃত্ব পরিবর্তনকেই দায়ী করলেন জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর…

ByByNews Desk Aug 4, 2026
Scroll to Top