ত্রিপুরায় আক্রান্ত তৃণমূল, নালিশ জানালো পুলিশের ডিজি-কে

আগরতলা, ২৩ অক্টোবর (হি. স.) : ত্রিপুরায় জনসংযোগ অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই, এবার সোজা পুলিশের মহানির্দেশকের কাছে নালিশ জানাল মমতার দল। সাংসদ সুস্মিতা দেব ও পশ্চিমবঙ্গের আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক স্থানীয়দের নেতাদের সাথে নিয়ে ত্রিপুরা পুলিশের মহানির্দেশকের অনুপস্থিতিতে ডিআইজি নর্দান রেঞ্জ এল ডারলং-র কাছে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি তুলে দিয়েছেন। পুলিশ সদর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুস্মিতার হুঙ্কার, ১২ ঘন্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করা না হলে তৃণমূল কংগ্রেস বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করবে। তাতে, বিজেপি প্রদেশ মুখপাত্র নবেন্দুর কটাক্ষ, গোষ্ঠি কোন্দলে জেরবার ত্রিপুরায় তৃণমূল আগে নিজেদের ঘর সামলাক। তারপর না হয় আন্দোলনের বিষয়ে ভাবা উচিত।


গতকাল আমতলীতে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসংযোগ অভিযানে সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের গাড়ি ভাংচুরেরও অভিযোগ উঠেছে। তাই, আজ ত্রিপুরা পুলিশের মহানির্দেশকের কাছে ডেপুটেশন দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সুস্মিতা দেব হামলার ঘটনাকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় নিন্দাজনক ও লজ্জাজনক ঘটনা বলে তীব্র ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ধরনের কলঙ্কজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস অনুমতি না নিয়ে জনসংযোগ অভিযান সংঘটিত করেছে। এ-বিষয়ে সুস্মিতার সাফ কথা, রাজনৈতিক প্রচারাভিযান সংগঠিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসংযোগ অভিযানের উপর হামলাকারীরা সরকারের মদতপুষ্ট ছিল। তাঁর দাবি, এভাবে হামলা হুজ্জুতি করে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচি স্তব্ধ করা যাবে।


এদিন সাংসদ ডা: শান্তনু সেন বলেন, ইতিপূর্বে বিজেপির গুন্ডা বাহিনীর মুখোশ পড়ে তৃণমূলের কর্মীদের ওপর হামলা সংগঠিত করতো। এখন শাসক দল এবং পুলিশের একাংশের মদতে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা সংগঠিত হচ্ছে। তাঁর দাবি, আজ ডেপুটেশন দেওয়ার সময় ডিআইজি নর্দান রেঞ্জ আশ্বস্ত করেছেন, অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।