News Flash

  • Home
  • FIVE STATE ASSEMBLY ELECTION
  • কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট ত্রিপুরায় সরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ও পেনসনার্সদের বিভ্রান্ত করছে : বিজেপি
Image

কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট ত্রিপুরায় সরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ও পেনসনার্সদের বিভ্রান্ত করছে : বিজেপি

আগরতলা, ৮ ফেব্রুয়ারি(হি. স.) : ত্রিপুরায় কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট মিলে সরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ও পেনসনার্সদেরদের বিভ্রান্ত করছে। আজ সাংবাদিক সম্মেলনে এইভাবেই বামগ্রেস জোটের দিকে তোপ দাগেন বিজেপি নেতা তথা চা উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ সাহা। তাঁর কটাক্ষ, কেরালায় বামেদের সরকার রয়েছে। সেখানে বামফ্রন্ট সরকার নতুন পেনশন নীতি প্রণয়ন করেছে। অথচ, ত্রিপুরায় বামফ্রন্ট উল্টো সুর গাইছে। তাঁরা ক্ষমতায় ফিরে বিজেপি জোট সরকারের লাগু নতুন পেনশন স্কীম তুলে নেবে এবং পুরনো পেনশন স্কীম চালু করবে।

এদিন সন্তোষ বাবু বলেন, ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয় বেতনক্রম সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। কংগ্রেস এবং বামেদের সরকারের শাসনেও ওই দাবি পূরণ হয়নি। কিন্তু, প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ত্রিপুরায় বিজেপি জোট সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি একসাথে ১২ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান করেছে।

এদিন তিনি বলেন, ত্রিপুরায় বিজেপি জোট সরকার নতুন পেনশন স্কীম চালু করেছে। ইউপিএ সরকারের আমলেই কেন্দ্রীয় সরকার নয়া পেনশন স্কীম গ্রহণ করেছিল। বামেরা ওই স্কিমের সুযোগ থেকে সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বঞ্চিত করেছে। অথচ, এখন তাঁরা নতুন পেনশন স্কিমের বিরোধিতা করে ক্ষমতায় ফিরলে পুরনো পেনশন স্কীম লাগু করার ঘোষণা দিয়েছে। তাঁর দাবি, বামেরা রাজনৈতিকভাবে দ্বিচারিতা করছেন। কারণ, কেরালায় বামফ্রন্টের সরকার নতুন পেনশন স্কীম চালু করেছে। ত্রিপুরায় বামেরাই ওই স্কীমের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন।

এদিকে, মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা নিয়েই বামেদের একহাত নিয়েছেন সন্তোষ সাহা। তিনি বলেন, বামেরা নির্বাচনী ইস্তেহারে বছরে দুইবার মহার্ঘ ভাতা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু, কত শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান করবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই উল্লেখ নেই। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পাঁচ বছরের মেয়াদে দুই বছর করোনার সাথে মোকাবিলা করেছে বিজেপি জোট সরকার। তা সত্ত্বেও সকল অংশের মানুষের উন্নয়নের খেয়াল রাখা হয়েছে।প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় সরকারি কাজে যুক্ত ২.৬০ লক্ষ কর্মী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১.০৪ লক্ষ সরকারি শিক্ষক-কর্মচারী, ৮০৬০০ জন পেনসনার্স এবং ৭৬ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মী রয়েছেন। সন্তোষ বাবুর দাবি, বিরোধীরা ত্রিপুরায় সকল অংশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে চলেছেন।

Releated Posts

‘এক পেড় মা কি নাম’ কর্মসূচিতে আগরতলায় বৃক্ষরোপণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল

আগরতলা, ১৪ জুন: পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘এক পেড়…

ByByReshmi Debnath Jun 14, 2026

স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে ৮০ শতাংশ রেফার কমেছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৪ জুন: রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উল্লেখযোগ্য উন্নতির ফলে বর্তমানে রোগী রেফারের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে…

ByByReshmi Debnath Jun 14, 2026

ত্রিপুরা বার অ্যাসোঃ নির্বাচন : সভাপতি পদে পৃথা দেব পাল, সহ-সভাপতি পদে জিবন কৃষ্ণ সেন ও সম্পাদক পদে ভাস্কর দেববর্মা জয়ী

নিজস্ব সংবাদদাতা, আগরতলা, ১৩ জুন: ত্রিপুরা বার এসোসিয়েশনের নির্বাচনে জয় জয়কার সংবিধান বাঁচাও মঞ্চের প্রার্থীদের। ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশন…

ByByReshmi Debnath Jun 14, 2026

রাজ্যে অয়েল পাম চাষ পৌঁছাল ৩,৫০০ হেক্টরের বেশি এলাকায়: মন্ত্রী রতন লাল নাথ

আগরতলা: ত্রিপুরায় ভোজ্য তেল উৎপাদনে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার অয়েল পামচাষ সম্প্রসারণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ…

ByByReshmi Debnath Jun 13, 2026
Scroll to Top