Posts of - August 2023
ফের রাজ্যে যান দুর্ঘটনার বলি 2
আগরতলা,১০আগস্ট:রাজ্যের দুটি পৃথক পথ দুর্ঘটনায় দুজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বড়জলা এবং বিশ্রাম গঞ্জের পাথালিয়া ঘাটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাতে দুই বাইক চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় উষা বাজার স্টেট ব্যাংক শাখার কর্মী আশীষ কুমার ঘোষ বৃহস্পতিবার কের চৌমুহনিস্থিত বাড়ি থেকে বাইক নিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। বড়জলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে দ্রুত বেগে আসা অপর একটি বাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। তাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজনরা ঘটনা প্রত্যক্ষ করে দমকল বাহিনী ও পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং সেখান থেকে দেহটি উদ্ধার করে জিবি হাসপাতালে নিয়ে যায়। জিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। অপরদিকে বুধবার রাতে বিশ্রামগঞ্জ থানা এলাকার পাথালিয়া ঘাটে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির সঙ্গে দ্রুতগামী বাইকের ধাক্কা লাগলে বাইক থেকে ছিটকে পড়ে সিমন দেববর্মা নামে বাইক চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং সেখান থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশ দুটি ক্ষেত্রেই পৃথক মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য রাজ্যে দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। দুর্ঘটনা রোধে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। যানবাহন এবং বাইক অত্যন্ত দ্রুত বেগে চলাচল করছে । গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সে কারণেই দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ধারনা নাগরিকদের। এব্যাপারে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশকে কঠোর মনোভাব গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে। প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় বহু প্রাণ অকালে ঝরে যাচ্ছে এবং বহু মানুষ পঙ্গুত্বের জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রশাসন এই বিষয়ে কঠোর হউক, দাবি রাজ্যবাসীর।
আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বড়সড় গরমিল
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারতেও বড়সড় গরমিল। সংসদে এই প্রকল্প নিয়ে পেশ হওয়া সিএজি রিপোর্টে বড়সড় গরমিলের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, শুধু গরমিল নয়, এটা বড়সড় কেলেঙ্কারি’। সিএজির রিপোর্ট অনুযায়ী আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে লক্ষ লক্ষ ভুয়ো অ্যাকাউন্ট নথিভুক্ত হয়ে রয়েছে। স্রেফ 9999999999 এই নম্বরেই নথিভুক্ত হয়ে রয়েছে ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮২০টি অ্যাকাউন্ট। 8888888888-এই নম্বরে নথিভুক্ত হয়ে রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৩৯ হাজার অ্যাকাউন্ট। প্রায় ৯৬ হাজার অ্যাকাউন্ট নথিভুক্ত 9000000000 নম্বরে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ অ্যাকাউন্ট নথিভুক্ত হয়ে রয়েছে ভুয়ো নম্বরে। এই অ্যাকাউন্টগুলির আদৌ অস্তিত্ব আছে কিনা, সেটাই এখন প্রশ্ন। এই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে কেউ টাকা পেয়ে থাকলে সেই টাকা কোথায় গেল সে প্রশ্নও উঠছে। এছাড়াও একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ রয়েছে। একাধিক রাজ্যে দেখা যাচ্ছে, চিকিৎসা চলাকালীন কোনও রোগীর মৃত্যু হওয়ার পরও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় তাঁর চিকিৎসার খরচ বাবদ অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে। এই সংখ্যাটাও প্রায় ৮০ হাজার। একই ব্যক্তি একই সঙ্গে একাধিক হাসপাতালে ভরতি থাকার দাবি করে এই প্রকল্পের আওতায় টাকা তুলেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সিএজি রিপোর্ট বলছে, আয়ুষ্মান ভারতে নথিভুক্ত প্রায় ৪৩ হাজার পরিবার এমন রয়েছে যাতে সদস্য সংখ্যা ১৫ জন থেকে শুরু করে ২০১ জন পর্যন্ত। যা কিনা অসম্ভব। এক্ষেত্রেও রেজিস্ট্রেশনে গড়বড় হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। একের পর এক গরমিলের অভিযোগের মুখে কেন্দ্র অবশ্য সবটাই অস্বীকার করছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, কোথাও কোথাও রেজিস্ট্রেশনের গণ্ডগোল হতে পারে। তার মানে এই নয় যে এই প্রকল্পে কোনও দুর্নীতি হয়েছে বা কেলেঙ্কারি হয়েছে।
ছিনতাইবাজেরকবলেপড়েটাকাপয়সাসহ্রুরীনথিহারালেনবাংলাদেশীপর্যটক
আগরতলা,১০ আগস্ট: চুরি ছিনতাই-র ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে রাজ্যেএবার ছিনতাইবাজদের খপ্পরে পড়লো বাংলাদেশি পর্যটকছিনতাইবাজরা তাদের কাছ থেকে নিয়ে গেলো টাকা পয়সা সব কিছুই ঘটনা তেলিয়ামুড়ায়।তেলিয়ামুড়া রেলস্টেশন চত্বরে ছিনতাই বাজের খপ্পরে পড়ে জরুরী নথি সহ টাকা পয়সা খোয়া গেল ২ বাংলাদেশি পর্যটকের, ঘটনা বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ। আশরাফ হোসেন এবং মাহমুদুল্লাহ হাসান নামের দুই বাংলাদেশি পর্যটক ভারতে এসেছিলেন চলতি মাসের ৫ তারিখ। ভারতে অবস্থানকালে শিলং,গৌহাটি সহ বিভিন্ন জায়গাতে ভ্রমণ করেছেন এই দুই পর্যটক। অবশেষে আগরতলা হয়ে বাংলাদেশ ফিরে যাবার পথে ঘটল অঘটনঅভিযোগ, ট্রেনে করে যাওয়ার সময় তেলিয়ামুড়া রেলস্টেশনে ঢোকার একটু আগে চলতি ট্রেন থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবক তাদের মধ্যে মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে থাকা ব্যাগ ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনায় হতবাক দুই তরুণ বাংলাদেশী পর্যটক।এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় তেলিয়ামুড়া থানায় এসে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন দুই বাংলাদেশী পর্যটক। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় পর্যটকদের দাবি,, তাদের যে ব্যাগটা ছিনতাই করা হয়েছে তার মধ্যে আন্তর্জাতিক এ.টি.এম কার্ড সহ তাদের প্রয়োজনীয় বেশ কিছু কাগজপত্র এবং ভারত ও বাংলাদেশের কিছু টাকা ছিল। পাশাপাশি তাদের আবেদন থানা কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ করে তাদের এই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো সহ ব্যাগ উদ্ধার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা যেন পালন করে। বাংলাদেশ থেকে দুই পর্যটক ভারতে ঘুরতে এসে ফিরে যাবার পথে তেলিয়ামুড়ার মতো জায়গায় এভাবে ছিনতাইবাজদের খপ্পরে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে সর্বত্রই।
































