নিজস্ব প্রতিনিধি, চুড়াইবাডি, ১৬ অক্টোবর৷৷ প্রেম জনিত কারনে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল এক যুবক৷ নিজ ঘরে ফাঁসী লেগে আত্মহত্যা এক যুবকের৷ মৃত যুবকের নাম লালন রবিদাস(২৩)৷ ঘটনা বাগবাসা আউট পোস্টের দক্ষিণ গঙ্গানগর এলাকায়৷ প্রেম জনিত কারনেই আত্মহত্যা বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান৷স্থনীয় আউট পোস্টের পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেয়৷সাথে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হাতে নিয়ে তদন্তে নেমেছে৷
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, উত্তর জেলার বাগবাসা আউট পোস্টের অধীন দক্ষিণ গঙ্গানগর এলাকার বাসিন্দা লালন রবিদাস পিতা মনিলাল রবিদাস পরিবারের সকলের অনুপস্থিতিতে নিজ ঘরে ফাঁসি লেগে আত্মহত্যা করে৷ পরিবারের লোকজন ঘরে ফিরে লালন রবিদাসের দেহ নিজ ঘরে রশিতে ঝুলানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে ছুটে আসেন আশপাশের লোকজন৷খবর দেওয়া হয় বাগবাসা আউট পোষ্টে৷ কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার আগেই পরিবার ও আশপাশের লোকজন লালনকে ফাঁসী থেকে নামিয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান৷জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক লালন রবিদাসকে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ ইতিমধ্যে বাগবাসা আউট পোস্টের পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হাতে নিয়ে তদন্তে নেমেছে৷সাথে লালন রবিদাসের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ৷
বাগবাসা আউট পোস্টের ইনচার্জ রতন রবিদাস জানান, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে প্রেম জনিত কারনেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে লালন রবিদাস৷ তবুও সানীয় থানার পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে৷ অপরদিকে একটি তরতাজা যুবক ফাঁসিতে আত্মহত্যা করাতে গোটা গঙ্গানগর এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷
এদিকে, বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ফাঁসি লাগিয়ে আত্মহত্যা এক নাবালিকার৷নিজ বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে সকলের অজান্তে গোয়াল ঘরের গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁসিতে আত্মহত্যা এক নাবালিকার৷ মৃত নাবালিকার নাম স্বপ্ণা গোয়ালা(১৭)৷ঘটনা কদমতলা থানাধীন সরলা গ্রামে৷কদমতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে মৃতার পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত না করে মৃতদেহ নিয়ে যেতে চাইলে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ৷
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, উনকোটি জেলার কৈলাশহর জগন্নাথপুর এলাকার রামসিং গোয়ালার দ্বিতীয় কন্যা স্বপ্ণা গোয়ালা কদমতলা থানাধীন সরলা গ্রামের দুই নং ওয়ার্ডের বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসে৷ কিন্তু আজ বোনের বাড়ির সকলের চোখে ধুলো দিয়ে তাদের গোয়ালা ঘরে রশি দিয়ে ফাঁসি দেয় স্বপ্ণা৷বাড়ির লোকজন এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে পেরে গোয়াল ঘরের তীরে দড়ি দিয়ে ফাঁসি লাগানো অবস্থা থেকে নামিয়ে স্বপ্ণা গোয়ালাকে কদমতলা সামাজিক হাসপাতালে নিয়ে আসেন৷হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হিরক দেবনাথ স্বপ্ণা গোয়ালাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কদমতলা থানার পুলিশ৷ যদিও মৃতার পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয় তারা কোন ধরনের ময়নাতদন্ত করবেন না৷ পুলিশ এবং চিকিৎসক অনুমতি দিলে উনারা স্বপ্ণা গোয়ালার মৃতদেহকে নিয়ে যান৷তবে একটি তরতাজা নাবালিকার এভাবে ফাঁসি লেগে আত্মহত্যার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷তবে কি কারনে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল স্বপ্ণা গোয়ালা তা ধোঁয়াশার মাঝেই রয়ে গেল৷


















