শান্তিরবাজার, ১৭ এপ্রিল: বহু প্রতীক্ষিত এডিসি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন আজ। রাজ্যের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে সকাল ৮টা থেকেই শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ভোট গণনা প্রক্রিয়া। পাহাড়ের ক্ষমতা কার দখলে যাচ্ছে, তা জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গোটা রাজ্যবাসী।
নিয়ম মেনে স্ট্রং রুম খোলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ব্যালট পেপার গণনার কাজ। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে একে একে খোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স এবং প্রতি রাউন্ড শেষে সামনে আসছে প্রার্থীদের ভাগ্যচিত্র। প্রতিটি মুহূর্তে বাড়ছে উত্তেজনা।
গণনাকেন্দ্র ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। গোটা মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বর এখন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে আবদ্ধ। মোতায়েন রয়েছে টিএসআর ও আধাসামরিক বাহিনীর বিশাল বাহিনী। গণনাকেন্দ্রের কয়েকশো মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে চলছে পুলিশের কড়া নজরদারি।
এদিকে, কার্যালয়ের বাইরে সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকরা। জয়-পরাজয়ের হিসেব কষতে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন প্রার্থীরাও। কারও মুখে জয়ের আত্মবিশ্বাস, আবার কোথাও চোখে পড়ছে উদ্বেগের ছাপ। মুহুর্মুহু জয়ধ্বনি ও স্লোগানে সরগরম হয়ে উঠেছে শান্তির বাজার মহকুমা চত্বর।
সব মিলিয়ে, শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয় এখন রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী হতে চলেছে। উন্নয়ন নাকি আঞ্চলিক ইস্যু—‘গণদেবতা’র রায় কোন দিকে ঝুঁকছে, তা স্পষ্ট হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। এই রায়ই আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্ধারণ করবে পাহাড়ের রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিশা।


















