আগরতলা, ২৭ মে: দেশের ৫১ শক্তি পীঠের অন্যতম হলো আমাদের রাজ্যের উদয়পুরস্থিত মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির। রাজ্যের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এই মন্দিরের গুরুত্ব অপরিসীম। ত্রিপুরার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক পর্যটনকে জাতীয় পর্যায়ে আরও প্রসারিত করার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য সদস্যাগণ, দেশের প্রত্যেকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্যপাল, লেফটেন্যান্ট গভর্নর, মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠিতে মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির পরিদর্শনের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেন যে, ৫ শতাব্দীরও বেশি সমৃদ্ধ ইতিহাস বহনকারী এই মন্দির রাজ্যের গৌরবময় ঐতিহ্য, ভক্তি, বিশ্বাস ও সম্প্রীতির এক চিরন্তন প্রতীক। প্রতি বছর দেশ-বিদেশ থেকে শ্রদ্ধালুগণ এই পবিত্র তীর্থস্থানে এসে মাতা ত্রিপুরাসুন্দরীর আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। মন্দিরের শান্ত-নিবিড় পরিবেশ, আধ্যাত্মিক আবহ এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। পাশাপাশি দীপাবলি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী দেওয়ালী মেলায় প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে যা বর্তমানে রাজ্যের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে ভারত সরকারের প্রসাদ প্রকল্পে সম্প্রতি মন্দির ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দ্যার্যায়ন করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন শীর্ষ নেতৃত্বদের এই পবিত্র তীর্থস্থান পরিদর্শনের মাধ্যমে একদিকে যেমন বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা শ্রদ্ধালুর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি পর্যটন মানচিত্রে ত্রিপুরার বিশেষ স্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও ত্বরান্বিত হবে।



















