News Flash

  • Home
  • প্রযুক্তি
  • ভারত- কানাডা- অস্ট্রেলিয়া প্রযুক্তি জোটে গতি, কথার বাইরে বাস্তবায়নে জোর
Image

ভারত- কানাডা- অস্ট্রেলিয়া প্রযুক্তি জোটে গতি, কথার বাইরে বাস্তবায়নে জোর

নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল: ভারত, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে গড়ে ওঠা উদীয়মান প্রযুক্তি জোট—অস্ট্রেলিয়া-কানাডা-ইন্ডিয়া টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (এসিআইটিআই) পার্টনারশিপ এখন কূটনৈতিক আলোচনা ছাড়িয়ে বাস্তব পদক্ষেপের দিকে এগোচ্ছে। এক নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

ওয়ান ওয়ার্ল্ড আউটলুক-এর প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ত্রিপাক্ষিক জোটে তিন দেশের নিজস্ব শক্তির সমন্বয় ঘটেছে। যেখানে ভারত বৃহৎ ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো এবং বাস্তব প্রয়োগে এগিয়ে; কানাডা শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষণা এবং বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে অবদান রাখছে; আর অস্ট্রেলিয়া গভীর প্রযুক্তি গবেষণার সক্ষমতা যোগ করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অংশীদারিত্ব কেবল প্রতীকী নয়, বরং এটি গণতান্ত্রিক প্রযুক্তি সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি “শক্তির বিভাজন” মডেল হিসেবে কাজ করছে।

চুক্তির আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা নিয়ে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কানাডা ও ভারতের মধ্যে ১৩টি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে গবেষণা, দক্ষতা বিনিময় এবং বাণিজ্যিকীকরণকে ত্বরান্বিত করবে।

এই বিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারিত্বে ছাত্র বিনিময়, শিক্ষক বিনিময়, প্রয়োগমূলক গবেষণা এবং নির্দিষ্ট শিল্পখাতে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া, এআই-এর সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনকে একই নীতির আওতায় আনা হয়েছে, যা দেখায় যে কম্পিউটিং ক্ষমতা, চিপের প্রাপ্যতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা এখন উদ্ভাবন নীতির মূল অংশ হয়ে উঠেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়াররা কানাডার এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন, আর কানাডার গবেষকরা ভারতের বৃহৎ ডিজিটাল ব্যবস্থার বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

এই কৌশলের অংশ হিসেবে কানাডায় ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ২৭৪টিরও বেশি স্কলারশিপে সর্বোচ্চ ২৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার পর্যন্ত অর্থায়ন করা হবে, যা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

প্রতিবেদন আরও জানিয়েছে, এই উদ্যোগগুলি প্রাথমিক পর্যায়ের সংস্থাগুলির জন্য নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। তবে, প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে গবেষণাগার, স্টার্টআপ, বিনিয়োগকারী এবং অভিবাসন ব্যবস্থাকে দ্রুত সংযুক্ত করার উপর, যাতে এই ত্রিপাক্ষিক সহযোগিতা বাস্তবে কোম্পানি, পণ্য এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থানে রূপ নিতে পারে।

Releated Posts

বিশ্ব গড়ের তুলনায় ১.৬ গুণ বেশি সাইবার হামলার মুখে ভারতের বিএফএসআই খাত: রিপোর্ট

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (আইএএনএস): ভারতের ব্যাংকিং, আর্থিক পরিষেবা এবং বিমা (বিএফএসআই) খাত বিশ্ব গড়ের তুলনায় ১.৬ গুণ বেশি…

ByBySandeep Biswas May 28, 2026

চাঁদের কাছ থেকে পৃথিবীর মনোমুগ্ধকর ছবি পাঠাল আর্টেমিস-দুই নভোচারীরা

নয়াদিল্লি, ৪ এপ্রিল (আইএএনএস): চাঁদের দিকে অগ্রসর হতে হতে পৃথিবীর অসাধারণ কিছু ছবি পাঠিয়েছেন নাসা-র আর্টেমিস-দুই অভিযানের নভোচারীরা।…

ByBySandeep Biswas Apr 4, 2026

আর্টেমিস-দুই মিশনে প্রথমবার আইফোন নিয়ে চাঁদে যাচ্ছেন নাসার মহাকাশচারীরা

নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল : মহাকাশ অভিযানে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছে নাসা। সংস্থার আর্টেমিস-দুই মিশনে অংশ নেওয়া…

ByByTaniya Chakraborty Apr 2, 2026

সোনা-রুপোর দামে বড় পতন, ট্রাম্পের ইরান সতর্কবার্তার প্রভাব

মুম্বাই, ২ এপ্রিল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া ভাষণের পর বৃহস্পতিবার সোনা ও রুপোর দামে…

ByByReshmi Debnath Apr 2, 2026
Scroll to Top