Posts of - August 10, 2023
দুইদিন ধরে নিখোঁজ এক নাবালক , ঘটনা ধর্মনগরে
আগরতলা,১০ আগস্ট: দুইদিন ধরে নিখোঁজ এক যুবক। ধর্মনগর হোলি ক্রস কনভেন্ট স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আদিত্য থাপা হঠাৎ করে বুধবার ভোর থেকে নিখোঁজ হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় অন্যান্য দিনের মতো ভোর চারটায় সে প্রাতঃকর্ম করার জন্য বুধবার দিন ঘুম থেকে উঠে। তার মা কেয়া থাপা ছেলেকে নিয়ে পড়াশোনার জন্য ধর্মনগরের থানা রোডের আম্বেদকর সরণিতে ভাড়া থাকেন। তার বাবা পেশায় একজন শিক্ষক তিনি শিক্ষকতার জন্য শনি ছড়াতে থাকেন। ছেলের পড়াশোনার জন্য মা ছেলেকে নিয়ে ধর্মনগর থাকেন। তাদের বড় ছেলে পার্শ্ববর্তী রাজ্য আসামে পড়াশোনা করে। বুধবার সকালে প্রাতঃকর্ম সেরে আদিত্য কখন ঘরে এসেছে কিনা তার মা কেয়া তা বলতে পারেনি। যখন কেয়া থাপার ঘুম ভাঙ্গে তখন প্রায় সকাল আটটা বাজে। উঠে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তিনি। খোঁজাখুঁজি করতে করতে বিবিআই মাঠের কাছে যেখানে স্বাধীনতা দিবসের জন্য সবাই প্রশিক্ষণ নিচ্ছে সেখানেও যান। কিন্তু ছেলের কোনও হদিশ পাননি। ছেলেকে না পেয়ে পাগল পাগল হয়ে তার বাবার সাথে যোগাযোগ করে। বাবা-মা দুজনে চিন্তা করে অবশেষে ধর্মনগর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে। দুইদিন অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর কোন খোঁজখবর না পাওয়ায় অবশেষে সাংবাদিকদের দ্বারস্থ নিখোঁজ ছেলে ফিরে পাওয়ার জন্য। এখন দেখার প্রশাসনিক সাহায্যে তিনি ছেলেকে খুঁজে…
কুকুরের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্থ মোরগের খামার
আগরতলা,১০ আগস্ট: লেফুঙ্গা থানাধীন কালীবাজার সংলগ্ন সুব্রত বিশ্বাসের মোরগের খামারে সঙ্ঘবদ্ধ কুকুরের আক্রমণে ব্যাপক ক্ষতি সংগঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রতিবেশীর কুকুরের আক্রমণে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মোরগের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় সুব্রত। কালীবাজার সংলগ্ন রাঙ্গুটিয়া এলাকার সুব্রত বিশ্বাস ঋণ নিয়ে একটি মোরগের খামার তৈরি করেছে। প্রতিবেশীদের প্রায় চার থেকে পাঁচটি কুকুর প্রতিনিয়ত এই মোরগের খামারে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে ইতিপূর্বেও হামলা করেছিল। এই বিষয়টি কুকুর মালিকদের পূর্বেই জানানো হয়েছে বলে জানায় সুব্রত। কিন্তু তাতে কুকুর মালিকরা কোন ধরনের কর্ণপাত করেনি। অবশেষে মঙ্গলবার গভীর রাতে কুকুর গুলো সঙ্গবদ্ধ আক্রমণ চালায় মোরগের খামারে। বেড়া ভেঙ্গে মোরগ খাওয়ার পাশাপাশি শতাধিক মোরগ মেরে ফেলে কুকুরের দল। বুধবার সকালে এই ঘটনা সাক্ষুষ করার পর মাথায় হাত পড়ে সুব্রত বিশ্বাসের। বিষয়টি জানানো হয় বামুটিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে। এই ঘটনায় ঋণ নিয়ে খামার তৈরি করার পর আর্থিকভাবে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করলেন সুব্রত বিশ্বাস।
জম্পুই পাহাড় জুড়ে আতঙ্ক, বড় বড় ফাটলের মিলছে না সুরাহা, গ্রামবাসীদের নিরাপদ স্থানে সরে হওয়ার আদেশ মহকুমা প্রশাসনের
জিওলজিক্যাল সার্ভের প্রযুক্তিবিদরা ব্যার্থ। জম্পুই পাহাড়ের ত্লাক্সি গ্রামের বিভিন্ন স্থানে বিশাল ফাটলের মিলছে না কোন সুরাহা । ভয়াবহ পরিস্থিতিতে গোটা জম্পুই পাহাড় জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে । পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে মহকুমা শাসকের তরফ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । ক্ষতিগ্ৰস্থ গ্রামবাসিরা ভয়ে নিরাপদ স্থানে চলে গিয়েছে । এদিকে বুধবার জম্পুই পাহাড়ে সেচ্ছাসেবক টিম পাঠানো হয়েছে। ল্যন্ডসলাইটের কারণে কোন ধরণের দুর্ঘটনা ঘটলে তড়িঘড়ি উদ্ধার কাজ চালানোর জন্যই আগে থেকেই সেচ্ছাসেবক দলকে তৈরি রাখা হয়েছে। অপরদিকে কাঞ্চনপুর থেকে জম্পুই যাওয়ার রাস্তা মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় জম্পুই যাওয়ার পথে পাহাড়ের উপর থেকে ধস পড়তে পারে বলে আশংকা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ত্লাক্সি গ্রামের ক্ষতিগ্ৰস্থ পরিবার গুলি বুধবার এলাকা ছেড়ে চলে গেছে । এই ঘটনায় গোটা জম্পুই জুড়ে এখন আতংক বিরাজ করছে । এদিকে ভারত সরকারের নির্মাণ সংস্থা এন এইচ আই সি ডি এলের স্থানীয় প্রকৈশলীরা জানায় পাহাড়ের মাটি লুস মাটির জন্য এই অবস্থা হচ্ছে বলে তারা মনে করছে । এন এইচ এস আই ডি সি এলের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায় প্রযুক্তিবিদরা এসে ফাটল সম্পর্কে কোন সুরাহা করতে পারছে না। অপরদিকে জম্পুই পাহাড়ের ফাটল ক্রমশ বেড়েই চলছে । এখন পর্যন্ত আটটি পরিবার পুরোপুরি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে । ঘরের ওয়াল ভেঙ্গে সম্পুর্ন বসত বাড়িই তলিয়ে যাচ্ছে। এভাবে চৌদ্দপুরুষের বসবাস করা বাড়ি তলিয়ে যেতে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন গ্ৰামবাসী। কিন্তু প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা চোখের সামনে সবই নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে ত্যালকসী বাসীকে।
আমার মাটি আমার দেশ কর্মসূচি থেকে বনসংরক্ষনের নির্দেশ ছাত্রছাত্রীদের, সাতচাঁদব্লকেগার্দাং দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ে হয় অনুষ্ঠান
আমার মাটি আমার দেশ কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে সাতচাঁদ ব্লকের অন্তর্গত গার্দাং দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ে জাতীয় সেবা প্রকল্পের উদ্যোগে ও মনুবাজার বন দপ্তরের সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয় এক বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান। এই বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ, দক্ষিণ জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল বিশ্বাস, এস এম সি কমিটির চেয়ারম্যান কমল কৃষ্ণ সেন ও এলাকার অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা জোয়ান। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা সহ ছাত্র ছাত্রী ও এস এম সি কমিটির সদস্য সদস্যরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের হাত ধরে উদ্ভোধনের পর অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষন রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল বিশ্বাস। এরপর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত ও বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ। বিধায়ক তার ভাষনে বলেন বন ধ্বংসের কারণে পৃথিবী আজ এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে দাড়িয়ে। আমরা আমাদের প্রয়োজনে অনবরত বনধ্বংস করে চলছি কিন্তু সে পরিমাণে আমরা বৃক্ষ রোপণ করিনা। তিনি বলেন এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে একদিন পৃথিবী থেকে জীবের অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে। এজন্য তিনি এই বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান থেকে ছাত্র ছাত্রী সহ সমস্ত অংশের মানুষকে বন সংরক্ষণে আরো বেশি করে এগিয়ে আসার আহ্বান রাখেন। এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত। এদিনের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের দ্বারা অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতির সংক্ষিপ্ত ভাষনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠান। এদিনের বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অবসর প্রাপ্ত দুই সেনা জোয়ানকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা।



































