হায়দরাবাদ, ২৭ এপ্রিল (আইএএনএস): তেলেঙ্গানার সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন এবং অধ্যাপক এম. কোদন্দরাম রেড্ডি সোমবার রাজ্যের বিধান পরিষদের (লেজিসলেটিভ কাউন্সিল) সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।
বিধানসভা ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিষদের চেয়ারম্যান জি. সুখেন্দর রেড্ডি তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এ. রেভন্থ রেড্ডি, তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি মহেশ কুমার গৌড় এবং শাসক কংগ্রেসের অন্যান্য নেতা।
রবিবার রাজ্যপাল শিব প্রতাপ শুক্লা গভর্নরের কোটায় আজহারউদ্দিন ও কোদন্দরামকে এমএলসি হিসেবে মনোনীত করেন। তবে এই মনোনয়ন সংক্রান্ত মামলাগুলির চূড়ান্ত রায়ের উপর নির্ভরশীল থাকবে বলে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ডি. রাজেশ্বর রাও এবং ফারুক হুসেনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁদের পরিবর্তে আজহারউদ্দিন ও কোদন্দরামকে মনোনীত করা হয়েছে।
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক আজহারউদ্দিনের এমএলসি পদে মনোনয়ন কংগ্রেস ও তাঁর জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে তাঁকে বিধানসভা বা বিধান পরিষদের সদস্য হতে হত, যাতে তিনি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন।
অন্যদিকে, তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের আন্দোলনের অন্যতম মুখ কোদন্দরাম, তেলেঙ্গানা জন সমিতির (টিজেএস) নেতা, যিনি ২০২৩ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করেছিলেন।
এই মনোনয়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান হল। গত বছরের ৩০ আগস্ট তেলেঙ্গানা মন্ত্রিসভা গভর্নরের কোটায় তাঁদের নাম সুপারিশ করেছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলায় রাজ্যপাল এতদিন সেই অনুমোদন দেননি।
সম্প্রতি ১৯ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী রেভন্থ রেড্ডি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে এই মনোনয়নের অনুমোদন চেয়েছিলেন। গত মাসে তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কোনও আপত্তি জানায়নি এবং রাজ্য সরকার চাইলে রাজ্যপালের কাছে অনুমোদনের জন্য উদ্যোগ নিতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কোদন্দরাম ও আমের আলি খান এমএলসি হিসেবে মনোনীত হলেও পরবর্তীতে আইনি জটিলতায় সেই প্রক্রিয়া স্থগিত হয়। এই নিয়ে একাধিক মামলা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।
ms/dpb



















