News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৭৫৪ হেক্টর জমি জলসেচ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
Image

১ লক্ষ ২৩ হাজার ৭৫৪ হেক্টর জমি জলসেচ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৬ মে :  রাজ্য সরকার বাস্তবের সাথে তাল মিলিয়ে সংস্কারমূলক কাজ করে যাচ্ছে। কাজের সাথে উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত করে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখেছে। স্টেট ডাটা সেন্টার স্থাপনের ফলে রাজ্যের কৃষি জমিতে জলসেচ ব্যবস্থার প্রসার ঘটবে এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা নেবে। কোনও রাজ্যের জিডিপি বৃদ্ধির সাথে সেই রাজ্যের কৃষি উৎপাদনও জড়িত রয়েছে। এই ডাটা সেন্টার স্থাপনের ফলে রাজ্যে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি জিডিপিও বৃদ্ধি পাবে। আজ কুঞ্জবনস্থিত বিশ্বেশ্বরায় কমপ্লেক্সে পূর্ত দপ্তরের জলসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত স্টেট ডাটা সেন্টারের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। 

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, এই ডাটা সেন্টার স্থাপন রাজ্যের জন্য এক মাইলফলক। এই ডাটা সেন্টারের সঠিক তথ্য বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য জ্ঞান বৃদ্ধির সাথে সাথে আধুনিক প্রযুক্তিকেও যুক্ত করা। সেই ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারও প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে ত্রিস্তরীয় ই-অফিস পরিষেবা শুরু করছে। এই ডাটা সেন্টার স্থাপন রাজ্যের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে সমৃদ্ধ করে তুলবে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে ২০১৬-১৭ সালে ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচিতে ন্যাশনাল হাইড্রোলজি প্রজেক্ট চালু করা হয়। ন্যাশনাল হাইড্রোলজি প্রজেক্টের আওতায় রাজ্যের এই স্টেট ডাটা সেন্টারটি গড়ে তুলতে প্রথম পর্যায়ে ব্যয় করা হয় ৪ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে এই ডাটা সেন্টারের জন্য ব্যয় করা হবে ৪ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। তিনি বলেন, রাজ্যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৭৫৪ হেক্টর জমি জলসেচ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। রাজ্য সরকার আরও বেশি কৃষি জমি সেচের আওতায় আনতে উদ্যোগ নিয়েছে। এই কাজগুলি শেষ হলে আরও ১০ হাজার ৪০১ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে। ৯৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজ্যে আরও ৩৪টি মাইনর ইরিগেশন স্টোরেজ কাম হারভেস্টিং স্ট্রাকচার প্রকল্প রূপায়ণ করা হবে। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে ৬ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে। রাজ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মোট ৪২টি বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ১৫২ কিলোমিটার। এছাড়াও বিভিন্ন নদীর ভাঙ্গন রোধে ১৯৩টি বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কাজ রূপায়ণ করা হবে। আগরতলা সহ গোমতী জেলার বিভিন্ন স্থানে বন্যার জল নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে চলেছে।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত দপ্তরের সচিব পি. কে. গোয়েল, পূর্ত দপ্তরের জলসম্পদ বিভাগের মুখ্যবাস্তুকার সুধন দেববর্মা, জলসম্পদ বিভাগের সুপারিন্টেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার বি. মগ সহ অন্যান্য আধিকারিকগণ। ডাটা সেন্টার উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন।

Releated Posts

বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিদ্যুৎ ভবনের সামনে বিক্ষোভে সামিলবিদ্যুৎ গ্রাহক ও বিদ্যুৎ কর্মচারী কল্যাণ সমিতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুন: বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিদ্যুৎ ভবনের সামনে বিক্ষোভ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে বিদ্যুৎ…

ByByReshmi Debnath Jun 10, 2026

রাধাকিশোর নগরে লিকুইড নাইট্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র ও নতুন অফিস ভবনের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুন: রাজ্যে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং কৃত্রিম প্রজনন পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার…

ByByReshmi Debnath Jun 10, 2026

বিশেষভাবে সক্ষম কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ, কোনাবন সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার পঞ্চাশোর্ধ অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুন: ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার মধুপুর থানার অন্তর্গত কোনাবন হরিহরদোলা সীমান্ত এলাকায় এক বিশেষভাবে সক্ষম…

ByByReshmi Debnath Jun 10, 2026

পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগে দুঃসাহসিক চুরি, নগদ লক্ষাধিক টাকা ও স্বর্ণালংকার উধাও

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুন: আমতলী থানাধীন কার্তিক চৌমুহনী এলাকার ভাতৃ সংঘ ক্লাব সংলগ্ন একটি ভাড়াটিয়া বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির…

ByByReshmi Debnath Jun 10, 2026
Scroll to Top