প্যারিস, ১৮ জুন (আইএএনএস): ফ্রান্সে শীঘ্রই উদ্বোধন হতে চলেছে দেশটির প্রথম ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির। ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মন্দিরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।
ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য ভাবি পারেখ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। এর পাশাপাশি আমাদের জন্য আরেকটি বড় উপলক্ষ হলো ফ্রান্সের প্রথম ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধন। সবাইকে এই মন্দিরে আসার আমন্ত্রণ জানাই। মন্দিরটির বিশেষত্ব হলো এটি ভারতে নির্মিত হয়েছে এবং পরে ফ্রান্সে এসে সংযোজন করা হয়েছে।”
বিএপিএস-এর সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের আরেক সদস্য জানান, মন্দিরটি নির্মাণে ব্যবহৃত সমস্ত পাথর ভারত থেকে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, “মন্দিরটি ভারতে তৈরি করে ফ্রান্সে স্থাপন করা হয়েছে। ফ্রান্স, ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে আমরা এখানে আসার আহ্বান জানাই। সেপ্টেম্বর মাসে ১৫ দিনব্যাপী একটি বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে এবং সকলের জন্য তা উন্মুক্ত থাকবে।”
ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর বৃহস্পতিবার সকালে প্যারিসে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে ভারতীয় প্রবাসীদের পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ভারতীয় প্রবাসীরা ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং এজন্য তিনি তাঁদের নিয়ে গর্বিত। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, “ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব পৃথিবীর অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “কিছুক্ষণ আগে প্যারিসে পৌঁছেছি। ভারতীয় প্রবাসীদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আমি অভিভূত। ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করতে তাঁদের প্রচেষ্টার জন্য আমি গর্বিত। আমাদের গ্রহের অগ্রগতির জন্য ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এর আগে বুধবার এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনাকে ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, শাসনব্যবস্থা, নীতি নির্ধারণ এবং বৈশ্বিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর ভারত তার অবস্থান তুলে ধরেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই সম্মেলন ভারতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি আরও ন্যায়সঙ্গত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গঠনে গ্লোবাল সাউথের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে।



















