বাঁদা (উত্তরপ্রদেশ), ২ মে (আইএএনএস): উত্তরপ্রদেশের বাঁদা জেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে একটি জুনিয়র হাইস্কুলের পড়ুয়াদের দিয়ে জোর করে শ্রম করানোর অভিযোগ উঠেছে। স্কুল ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় ছাত্রছাত্রীদের বালি তুলতে দেখা যাওয়া একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
ঘटनাটি বাঁদার আছরাউন্ড গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন পড়ুয়া কোদাল ও লোহার পাত্র ব্যবহার করে বালি তুলছে—যা নাবালকদের জন্য বেআইনি এবং অনুপযুক্ত কাজ। অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ তথা শিক্ষকরাই এই কাজ করতে বাধ্য করেছেন।
ভিডিওটি ধারণ করেছেন মহেন্দ্র নামে এক ব্যক্তি, যিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, তাঁর সন্তান রিয়াংশ ও রিয়াংশি ওই স্কুলেরই পড়ুয়া। তিনি অভিযোগ করেন, শুধু শ্রমই নয়, স্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণও করা হচ্ছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে মহেন্দ্র বলেন, “আমার সন্তানরা পড়াশোনা করতে স্কুলে যায়, কিন্তু সেখানে তাদের দিয়ে শ্রম করানো হচ্ছে। আমি সরকার ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতেও দোষীদের শাস্তির দাবি উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুলের ভিতরে বা বাইরে শিশুদের দিয়ে জোর করে শ্রম করানো শুধু অনৈতিক নয়, আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এদিকে, জেলার বেসিক শিক্ষা আধিকারিক অব্যক্ত রাম তিওয়ারি জানিয়েছেন, শুক্রবার সব স্কুল বন্ধ ছিল। ভাইরাল ভিডিওটি এখনও তাঁর নজরে আসেনি বলে জানান তিনি। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ভিডিওটি সত্য হলে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সি শিশুদের দিয়ে শ্রম করানো আইনত দণ্ডনীয় হলেও অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই স্কুলের মধ্যেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।



















