আগরতলা, ৭ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : ত্রিপুরায় কংগ্রেস নাক-কান কেটে সিপিএমের সাথে আসন সমঝোতা করেছে। আজ গোমতী জেলায় রাধাকিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজয় সংকল্প জনসভায় বিদ্রুপের সুরে একথা বলেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কটাক্ষ, লজ্জায় মাথা খেয়ে কংগ্রেস নেতারা সিপিএমের রক্তাক্ত হাত ধরেছেন। সাথে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র ভাষায় নিশানা করেছেন। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমার কাছে পরাজিত হয়েছেন। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে হারাতে আগরতলায় মিছিলে পা মিলিয়েছেন। সেই তৃণমূলের জামানত বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ত্রিপুরার মানুষ দশকের পর দশক সিপিএমের কুশাসন দেখেছেন। বামেদের শাসনে ত্রিপুরায় জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত বাম জমানায় ৩৫০ জন কংগ্রেস কর্মী খুন হয়েছেন। সেই কংগ্রেসের নেতারা লজ্জায় মাথা খেয়ে সিপিএমের রক্তাক্ত হাত ধরেছেন।
তিনি আজ কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। তাঁর কটাক্ষ, সুদীপ বাবুর সব দলেই দম বন্ধ হয়ে আসে। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে গিয়েছিলেন। সেখানে দম বন্ধকর পরিস্থিতিতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। সেখানেও দম বন্ধকর পরিস্থিতির মুখে পুণরায় কংগ্রেসে ফিরে গেছেন। সেখানে তাঁর অক্সিজেনের অভাব হওয়ায় সিপিএমের জিতেন্দ্র চৌধুরীর পায়ে গিয়ে পড়েছেন।তিনি বিদ্রুপের সুরে বলেন, মাত্র ১৩ টি আসনে সন্তুষ্ট হয়ে কংগ্রেস নাক-কান কেটে সিপিএমের সাথে সমঝোতা করেছে। তাঁর দাবি, কংগ্রেস ও সিপিএমের অনৈতিক সুবিধাবাদী জোট হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোটের বাক্সে জনগণ তার উচিত জবাব দেবেন। তাঁর বিশ্বাস, ত্রিপুরায় পুণরায় ডাবল ইঞ্জিনের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। ফলাফল ঘোষণার পর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন সভায় ত্রিপুরার মানুষ দুই হাতে মোদী ও মানিকের জোড়া লাড্ডু পাবেন।



















