বিশকেক, ২৪ জুলাই (আইএএনএস): সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)-র সদস্য দেশগুলির মধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব জোরদারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সিকিউরিটি, কানেক্টিভিটি অ্যান্ড অপারচুনিটি ’ ভাবনার পুনরুল্লেখ করল ভারত। পাশাপাশি, এসসিও-র বর্তমান সভাপতি দেশ কিরগিজস্তানের নেতৃত্বের প্রতিও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
শুক্রবার কিরগিজস্তানের চোলপন-আতায় অনুষ্ঠিত এসসিও কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্স-এর বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। সেখানেই তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির এই দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকের পর সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ কীর্তি বর্ধন সিং জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম এসসিও সিভিলাইজেশনাল ডায়ালগ ফোরাম-এ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য তিনি সমস্ত সদস্য দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই মঞ্চ এসসিও অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বৃহস্পতিবার এসসিও বৈঠকের ফাঁকে বেলারুশের বিদেশমন্ত্রী ম্যাক্সিম রিঝেনকভ-এর সঙ্গে বৈঠক করেন কীর্তি বর্ধন সিং। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভারত-বেলারুশ অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন দুই নেতা।
এছাড়া কিরগিজস্তানের বিদেশমন্ত্রী ঝিনবেক কুলুবায়েভ-এর সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয় এবং ভারত-কিরগিজস্তান কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় দেশ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী বুধবার বিশকেকে পৌঁছে জানান, এসসিও-র আওতায় সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হবে বলে তিনি আশাবাদী।
উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ সালের জন্য এসসিও-র সভাপতিত্ব করছে কিরগিজস্তান। দেশটির প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভ তাঁর সভাপতিত্বের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন— ‘এসসিও-র ২৫ বছর: টেকসই শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে একসঙ্গে’।
সূত্র: আইএএনএস


















