News Flash

  • Home
  • দিনের খবর
  • দেরাদুনে ২৩৬ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল এনসিবি, পুড়িয়ে নষ্ট ৩০৩ কেজি নিষিদ্ধ দ্রব্য
Image

দেরাদুনে ২৩৬ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল এনসিবি, পুড়িয়ে নষ্ট ৩০৩ কেজি নিষিদ্ধ দ্রব্য

দেরাদুন, ১৭ জুন (আইএএনএস): মাদকমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। বুধবার উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে অবস্থিত সংস্থার ইনসিনারেশন কেন্দ্রে ৩০৩ কিলোগ্রাম বাজেয়াপ্ত মাদকদ্রব্য পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ২৩৬ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এনসিবি-র মতে, এই পদক্ষেপ মাদক পাচার রোধ এবং বাজেয়াপ্ত মাদক পুনরায় বাজারে ফিরে যাওয়া ঠেকানোর ক্ষেত্রে তাদের দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন।

বুধবারের এই বিশেষ মাদক ধ্বংস অভিযানে ১১টি বিচারাধীন ও নিষ্পত্তিকৃত মামলার সঙ্গে যুক্ত বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ দ্রব্য ধ্বংস করা হয়। এর মধ্যে ছিল ট্রামাডল ট্যাবলেট, অ্যালপ্রাজোলাম ট্যাবলেট এবং চরস।

এনসিবি জানিয়েছে, দেশজুড়ে নিয়মিতভাবে এই ধরনের মাদক ধ্বংস অভিযান পরিচালিত হয়, যা ‘নেশামুক্ত ভারত’ কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

সংস্থাটি সাধারণ মানুষকেও মাদক-সংক্রান্ত তথ্য জানাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে। এ জন্য ‘মানস’ হেল্পলাইন নম্বর ১৯৩৩-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। তথ্যদাতাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে এনসিবি।

উল্লেখ্য, এর আগে বেঙ্গালুরু ইউনিটের এক অভিযানে ১২৮.৭৫ কিলোগ্রাম বাজেয়াপ্ত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছিল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ৩৮ কোটি টাকা। ওই চালানে গাঁজা, হাইড্রোপনিক গাঁজা, কোকেন, মেথামফেটামিন, এমডিএমএ এবং টিএইচসি ছিল। কর্নাটকের হোসকোটের একটি অনুমোদিত কেন্দ্রে সেগুলি পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়।

এদিকে, মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থের অবৈধ ব্যবহার রোধ করতে রাসায়নিক ও ওষুধ শিল্পের জন্য একটি ‘স্বেচ্ছাসেবী আচরণবিধি’ প্রকাশ করেছে এনসিবি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত এনসিবি-র মহাপরিচালক অনুরাগ গার্গ বলেন, “মাদকবিরোধী লড়াইয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও শুধুমাত্র অভিযানের মাধ্যমে সিন্থেটিক মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, নতুন আচরণবিধির লক্ষ্য হল রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত শনাক্ত ও রিপোর্ট করার সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

গার্গের মতে, রাসায়নিক উৎপাদক, আমদানিকারক, রফতানিকারক, পরিবেশক, পরিবহণকারী এবং ব্যবসায়ীরা সন্দেহজনক অর্ডার, অস্বাভাবিক ক্রয়-বিক্রয় বা রাসায়নিকের অপব্যবহারের ইঙ্গিত দ্রুত শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

Releated Posts

বিহারের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে শিবরাজ, কেন্দ্রীয় সহায়তার আশ্বাস

পাটনা, ১৬ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): বিহারে চলতি বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বুধবার রাজ্যে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।…

ByByNews Desk Sep 16, 2026

হাওড়ায় একাধিক সিপিআই(এম) পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ; দাবি অস্বীকার

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার বালি এলাকায় মঙ্গলবার গভীর রাতে একাধিক কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী)-র…

ByByNews Desk Sep 16, 2026

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতা অফিস খালি করার দমকলের নোটিস খারিজ হাইকোর্টে

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্য কলকাতার ক্যামাক…

ByByNews Desk Sep 16, 2026

মাদক ও সোশ্যাল মিডিয়ার ফাঁদ থেকে দূরে থাকুন, শিক্ষক-অভিভাবকদের বিশ্বাস করুন: পড়ুয়াদের কাশ্মীর পুলিশের আইজি

শ্রীনগর, ১৬ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): পড়ুয়াদের মাদক, অনলাইন বেটিংসহ সোশ্যাল মিডিয়ার নানা ফাঁদ এবং সহজে পাওয়া আনন্দের প্রলোভন থেকে…

ByByNews Desk Sep 16, 2026
Scroll to Top