News Flash

  • Home
  • দিনের খবর
  • টেন্ডার কমিশন ‘কেলেঙ্কারি’ মামলায় প্রাক্তন ঝাড়খণ্ড মন্ত্রী আলমগীর আলমকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট
Image

টেন্ডার কমিশন ‘কেলেঙ্কারি’ মামলায় প্রাক্তন ঝাড়খণ্ড মন্ত্রী আলমগীর আলমকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট

নয়াদিল্লি, ১১ মে(আইএএনএস): টেন্ডার কমিশন সংক্রান্ত অর্থপাচার মামলায় প্রাক্তন ঝাড়খণ্ড গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা আলমগীর আলম এবং তাঁর ব্যক্তিগত সচিব সঞ্জীব লাল-কে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার বিচারপতি এম.এম. সুন্দরেশ এবং এন. কোটিশ্বর সিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের জামিন খারিজের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হওয়া বিশেষ অনুমতি পিটিশনের শুনানি শেষে এই নির্দেশ দেয়।

এর আগে ২ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট মামলার চার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর দ্রুত জেরা সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই সময় অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি দিতে অস্বীকার করেছিল। আদালত ট্রায়াল কোর্টকে চার সপ্তাহের মধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করার নির্দেশও দেয়।

শুনানিতে আলমগীর আলমের আইনজীবী জানান, ৭৬ বছর বয়সি কংগ্রেস নেতা ২০২৪ সালের মে মাস থেকে জেলে রয়েছেন এবংএনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর বারবার সম্পূরক চার্জশিট জমা দেওয়ার কারণে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট জামিনের আবেদন খারিজ করে বলেছিল, অভিযুক্তরা অপরাধলব্ধ অর্থ লেনদেনে জড়িত নন, এমন বিশ্বাস করার মতো কোনও কারণ নেই।

বিচারপতি সুজিত নারায়ণ প্রসাদ-এর একক বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছিল যে দুর্নীতি সমাজের জন্য গুরুতর হুমকি এবং অর্থনৈতিক অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন বিবেচনায় আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।

হাইকোর্ট আরও বলেছিল, অর্থপাচারের মতো মামলায় “গভীর ষড়যন্ত্র ও বিপুল জনসম্পদের ক্ষতি” দেশের আর্থিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে, তাই জামিনের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি জরুরি।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অপরাধে জড়িত থাকার পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে।

এই মামলার সূত্রপাত ২০২৪ সালের ৬ মে ইডি-র তল্লাশি অভিযান থেকে। ওই সময় আলমগীর আলম এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সঞ্জীব লালের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩২.২০ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগ।

এছাড়াও ১০.০৫ লক্ষ টাকা এবং কমিশন লেনদেনের বিবরণ থাকা একটি ডায়েরিও বাজেয়াপ্ত করা হয়।

ইডি-র অভিযোগ, গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের প্রকল্পে কাজ করা ঠিকাদারদের মোট টেন্ডার মূল্যের প্রায় তিন শতাংশ কমিশন দিতে হত। এর মধ্যে প্রায় ১.৩৫ শতাংশ কমিশন তৎকালীন মন্ত্রীর কাছে তাঁর ব্যক্তিগত সচিবের মাধ্যমে পৌঁছত বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। বাকি অংশ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে বণ্টন করা হত।

ইডি-র দাবি, প্রায় ৩,০৪৮ কোটি টাকার টেন্ডার বরাদ্দের সঙ্গে যুক্ত এই কেলেঙ্কারিতে ৯০ কোটিরও বেশি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থ তৈরি হয়েছে।

Releated Posts

২০৪৭ সালের মধ্যে ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে ন্যায্য বাণিজ্য ও পুনর্ব্যবহারের উপর জোর পীযূষ গোয়েলের

নয়াদিল্লি, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে দেশের ব্যবসায়ী ও…

ByByNews Desk Aug 12, 2026

ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার মামলা: তদন্তকারী দল বাড়াল কেরল পুলিশ

তিরুবনন্তপুরম, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): সিপিআই(এম) নেতা তথা কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাসভবনে আসা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর আধিকারিকদের…

ByByNews Desk Aug 12, 2026

লোকসভার আসন ৫৪৩-তেই স্থির রাখার দাবিতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় বিজয়ের প্রস্তাব পাশ

চেন্নাই, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): ভবিষ্যতে সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা স্থায়ীভাবে ৫৪৩-তে স্থির…

ByByNews Desk Aug 12, 2026

আদানির প্রকল্পস্থলে কাজ করা তরুণদের মধ্যে নিজের অতীতের ছায়া দেখেন গৌতম আদানি

আহমেদাবাদ, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আদানি গোষ্ঠীর বিভিন্ন প্রকল্পস্থলে কাজ করতে আসা লক্ষ লক্ষ তরুণের…

ByByNews Desk Aug 12, 2026
Scroll to Top