News Flash

  • Home
  • দেশ
  • বিধানসভা ভেঙে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও ‘মুখ্যমন্ত্রী’ পরিচয় বজায় রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Image

বিধানসভা ভেঙে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও ‘মুখ্যমন্ত্রী’ পরিচয় বজায় রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতা, ৮ মে (আইএএনএস): রাজ্যপাল আর. এন. রবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মমতা ব্যানার্জী এখন রাজ্যের “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী”। এর ফলে তাঁর নেতৃত্বাধীন আগের মন্ত্রিসভার কার্যকালও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল এই ঘোষণা করেন। তবে এখনও পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে তাঁর পরিচয়ের অংশে “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ রয়েছে।

তাঁর এক্স ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ‘অ্যাবাউট’ বিভাগে এখনও লেখা রয়েছে — “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন। পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী।

এই অবস্থান অনেকটাই মিল রয়েছে ৫ মে সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে। ওই দিনই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়, যেখানে বিজেপি বিপুল জয় পায় এবং টানা ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতন ঘটে।

সেই সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে তিনি রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার প্রচলিত রীতি মানবেন না। তাঁর দাবি ছিল, সরকারি ফলাফল প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন নয়। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে গোটা রাজ্যে তৃণমূলের পরাজয় কিংবা ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে তাঁর ব্যক্তিগত হার তিনি মেনে নিচ্ছেন না।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-র কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান অবস্থান অনেকেরই মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০১১ সালের ১৩ মে-র ঘটনা, যখন বামফ্রন্ট সরকারের পতন নিশ্চিত হওয়ার পর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য গভীর রাতে রাজভবনে গিয়ে তৎকালীন রাজ্যপাল এম. কে. নারায়ণন-র কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।

সে সময় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রাপ্য বুলেটপ্রুফ সরকারি গাড়িতে রাজভবনে গেলেও পদত্যাগের পর তিনি আর সেই গাড়িতে ফেরেননি। পরিবর্তে সিপিআই(এম)-এর দেওয়া অন্য একটি গাড়িতে রাজভবন ত্যাগ করেন। যাওয়ার আগে নিজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের দীর্ঘদিন পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন।

এই প্রসঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে কোনও তুলনাই চলে না। রাজনৈতিক মতাদর্শে পার্থক্য থাকলেও আমি স্বীকার করি, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অত্যন্ত সৎ ও নীতিবান মানুষ ছিলেন। তিনি কখনও ক্ষমতালোভী ছিলেন না, যা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত প্রমাণ করেছেন।”

Releated Posts

যুবসমাজের উদ্বেগ নিয়ে মোহন ভাগবতের বার্তা গুরুত্বপূর্ণ, বললেন এনডিএ নেতারা

নয়াদিল্লি, ৭ আগস্ট (আইএএনএস): আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন জেড এবং জেন আলফা-র শিক্ষার্থীদের…

ByByTaniya Chakraborty Aug 7, 2026

নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁস: তল্লাশি ও সিসিটিভি নজরদারির ঘাটতিতেই প্রশ্ন বাইরে, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি সিবিআইয়ের

নয়াদিল্লি, ৭ আগস্ট (আইএএনএস): নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁস মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-এর চার্জশিটে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য।…

ByByTaniya Chakraborty Aug 7, 2026

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতা, ৭ আগস্ট (আইএএনএস): চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন খারিজ হওয়ার পর ফের…

ByByTaniya Chakraborty Aug 7, 2026

২০২২-২৩ অর্থবর্ষের অতিরিক্ত ব্যয়ের অনুমোদন, সংসদে পাস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন (নং-৩) বিল

নয়াদিল্লি, ৬ আগস্ট(আইএএনএস): ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়কে বৈধতা দিতে অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন (নং-৩) বিল, ২০২৬-এ অনুমোদন দিল সংসদ। বৃহস্পতিবার…

ByBySandeep Biswas Aug 6, 2026
Scroll to Top