কলকাতা, ৮ মে (আইএএনএস) : ভারতীয় জনতা পার্টি এবং তাদের শরিক দলের নেতারা শুক্রবার আর এন রবি-র পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভঙ্গের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়া এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের নির্বাচনী পরাজয়ের পর সংবিধান অনুযায়ীই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত ছিল।
তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্তত এতটুকু মর্যাদা থাকা উচিত ছিল। জনগণের রায়ে তিনি ও তৃণমূল হেরে গিয়েছেন, এমনকি ভবানীপুরেও পরাজিত হয়েছেন। তাঁর উচিত ছিল তা মেনে নিয়ে পদত্যাগ করা। তিনি না করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে সরানো হয়েছে। এটা বড় অপমান, কিন্তু তিনি তা বুঝতে পারছেন না।”
বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্যপাল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, জনগণের রায় না মেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছিলেন।
মুম্বই থেকে শাইনা এনসি বলেন, ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপির ২০৭টি আসন পাওয়া স্পষ্ট জনসমর্থনের ইঙ্গিত। তিনি দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় এবং তৃণমূলের বহু মন্ত্রীর হারের পরেও ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টা ছিল “হতাশার বহিঃপ্রকাশ”।
ওম প্রকাশ রাজভর বলেন, সরকার গঠনের ক্ষমতা রাজ্যপালের হাতে থাকে এবং সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই তিনি বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন।
হায়দরাবাদে বিজেপি নেতা টি আর শ্রীনিবাস বলেন, ৭ মে-ই তৃণমূল সরকারের কার্যত মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাঁর মতে, সংবিধান অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা উচিত ছিল।
এন রামচন্দ্র রাও এই ঘটনাকে “সাংবিধানিক প্রয়োজন” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হলে সংবিধানের ১৭২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়েছে।
এদিকে বিহারের মন্ত্রী শ্রাবণ কুমার বলেন, “সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। যারা আইন মানে না, তাদের ফল ভোগ করতেই হয়।



















