চণ্ডীগড়, ৮ মে(আইএএনএস): পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট শুক্রবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজিন্দর গুপ্ত-র মালিকানাধীন ট্রাইডেন্ট গোষ্ঠী-কে বড় স্বস্তি দিয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কোনও ছোটখাটো ত্রুটি বা ঘাটতি সংশোধনের জন্য সংস্থাকে অন্তত ৩০ দিনের যুক্তিসঙ্গত সময় না দিয়ে পাঞ্জাব পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড যেন কোনও কড়া পদক্ষেপ না নেয়।
প্রধান বিচারপতি শীল নাগু এবং বিচারপতি সঞ্জীব বেরি-র ডিভিশন বেঞ্চ ট্রাইডেন্ট গোষ্ঠীর দায়ের করা মামলার নিষ্পত্তি করতে গিয়ে মৌখিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে যে, অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনও গুরুতর পরিবেশগত জরুরি পরিস্থিতি রয়েছে তা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে পিপিসিবি।
আদালত জানায়, কোনও জলাশয়, জমি বা পরিবেশ বিষাক্ত বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে এমন পরিস্থিতির প্রমাণ বোর্ড দেখাতে পারেনি। তাই সংস্থাকে ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ দিয়েই কেবল পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
হাইকোর্ট আরও স্পষ্ট করে দেয়, ভবিষ্যতে যদি পিপিসিবি কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ট্রাইডেন্ট গোষ্ঠী ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল-এর দ্বারস্থ হতে পারবে।
গত ৩০ এপ্রিল পিপিসিবি ট্রাইডেন্ট গোষ্ঠীর কারখানায় পরিদর্শনে যায়। এরপরই সংস্থার তরফে অভিযোগ ওঠে যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এবং প্রতিষ্ঠাতা রাজিন্দর গুপ্তর রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তনের পর থেকেই তাদের নিশানা করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পিপিসিবি।
পিপিসিবি-র হয়ে সওয়াল করা সিনিয়র আইনজীবী ডি এস পাতওয়ালিয়া আদালতে বলেন, প্রতিহিংসার অভিযোগ “সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত”। তাঁর দাবি, এখনও পর্যন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও বিরূপ নির্দেশ জারি করা হয়নি, ফলে মামলাটিই সময়ের আগেই করা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাইডেন্ট গোষ্ঠীর দাবি, তাদের শিল্প ইউনিটগুলির কাছে সমস্ত বৈধ পরিবেশগত অনুমোদন রয়েছে। সংস্থার অভিযোগ, ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় প্রায় ৩০ জন আধিকারিক কারখানায় ঢুকে নমুনা সংগ্রহ করেন এবং পরিবেশ আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া মানা হয়নি।



















