করিমগঞ্জ (অসম), ২ জুন (হি.স.) : করিমগঞ্জে বন্যার কবল থেকে আপাতত কিছুটা রেহাই পাওয়া গেছে। লঙ্গাই, সিংলা নদী এ মুহূর্তে বিপদসীমার নীচে। ঘরবাড়ি থেকে বন্যার জল নেমে গেলেও চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে করিমগঞ্জের সীমান্ত এলাকায়। বন্যাকবলিত গ্রামগুলোতে জলবাহিত রোগ দেখে দিয়েছে। সেই সঙ্গে বানভাসি অনেক শিশু জ্বর ও ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যার ফলে সীমান্তবাসীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে বিএসএফ-এর ১৬ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে।
আজ রবিবার স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয় জলমগ্ন কাঁটাতারের বাইরে বিদ্যমান উত্তর লাফাশাইল গ্রামে। সেখানে অবস্থানরত ৬৬টি পরিবারের মধ্যে ২০০–এর বেশি বাসিন্দা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে পরিষেবা গ্রহণ করেন। বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও প্রদান করা হয়েছে শিবিরে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন বিএসএফ-এর চিকিৎসক অ্যাসিস্টেন্ট কমাডেন্ট ডা. দিব্যা। উপস্থিত ছিলেন ১৬ নম্বর ব্যাটালিয়নেৰ সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অরুণ কুমার, লক্ষ্মীবাজার বিওপি কোম্পানি কমান্ডার অনিল কুমার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
বিএসএফ–এর কমাডেন্ট সঞ্জয় কুমার জানান, বন্যার কবলে পড়েছে সীমান্তের বেশ কয়েকটি গ্রাম। গ্রামের বাড়িঘরে বন্যার জল ঢোকায় চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বন্যাকবলিত গ্রামগুলোতে জলবাহিত রোগ দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে বানভাসি অনেক শিশু জ্বর ও ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বিএসএফ-এর তরফ থেকে স্বাস্থ্য শিবির ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করার কার্যসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। রবিবার থেকে এই কার্যসূচি শুরু হয়েছে।পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সীমান্তবর্তী গ্রামে বিএসএফ-এর স্বাস্থ্য শিবির চলবে।



















