আগরতলা, ১৬ জুন: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন চন্ডীপুর বিধানসভার সমরুরমুখ এলাকার গভীর জঙ্গল থেকে ২৫ বস্তা বার্মিজ সিগারেট উদ্ধার হয়েছে। ওই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সীমান্ত নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা। সীমান্তবর্তী এলাকায় কীভাবে এত বড় চালান পৌঁছে গেল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র জল্পনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কৈলাসহর থানার পুলিশ এবং টিএসআর জওয়ানরা যৌথভাবে সমরুরমুখ এলাকায় অভিযান চালায়। দীর্ঘ তল্লাশি অভিযানের পর সীমান্ত সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত জঙ্গল থেকে ২৫ বস্তা বার্মিজ সিগারেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সিগারেটগুলির বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে চিনিবাগান পুলিশ নাকা পয়েন্ট অতিক্রম করে কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য সীমান্তবর্তী এলাকায় পৌঁছল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকের মতে, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান রুখতে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
অভিযান চলাকালীন কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতির খবর পেয়ে চোরাকারবারিরা আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া সিগারেটগুলো বাজেয়াপ্ত করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে এই বিপুল পরিমাণ বার্মিজ সিগারেট দেশে প্রবেশ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
এদিকে, সীমান্তবর্তী এলাকায় বারবার চোরাচালানের ঘটনা সামনে আসায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও কঠোর করা হলে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে।



















