নিজস্ব প্রতিনিধি, বিলোনিয়া, ১০ জুন: বিলোনিয়া রেল স্টেশন চত্বরে গাঁজা কাণ্ডে ধৃতের পলায়নের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। এই ঘটনায় এবার গ্রেপ্তার হলেন বিলোনিয়া জিআরপি থানারই এক পুলিশ কনস্টেবল। ধৃত কনস্টেবলের নাম যতীন্দ্র চন্দ্র দাস। মঙ্গলবার রাতে আগরতলা থেকে আসা জিআরপি-র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তল্লাশিতে তার থানার আবাসনের রুম থেকে গাঁজা উদ্ধারের পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সংবাদমাধ্যমে খবর সম্প্রচারের পরই নড়েচড়ে বসে আরক্ষা দপ্তর। বুধবার দুপুরে ধৃত কনস্টেবলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে বিলোনিয়া রেল স্টেশন চত্বরে টিআর০৭_ জি_০২২৬৭ নম্বরের একটি সাদা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ব্যাগ থেকে কয়েক কেজি গাঁজা উদ্ধার করে জিআরপি পুলিশ। গাড়িতে থাকা চারজনের মধ্যে তিনজন পালিয়ে গেলেও গাঁজা সহ একজনকে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, আটকের কিছুক্ষণ পর বিলোনিয়া থানার এক পুলিশ অফিসার ও এক আইবি কর্মী ঘটনাস্থলে এসে ধৃত ও গাঁজার ব্যাগ জিআরপি থানায় নিয়ে যান।
এরপরই পুলিশের সামনে থেকে রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যায় ধৃত যুবক। অভিযোগ, পালানোর সময় পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এই ঘটনার খবর সম্প্রচারিত হতেই রাজ্যজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।খবর সম্প্রচারের পর তৎপর হয় আরক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার রাতেই আগরতলা জিআরপি থানার ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা বিলোনিয়ায় পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালাতে গিয়ে বিলোনিয়া জিআরপি থানার কনস্টেবল যতীন্দ্র চন্দ্র দাসের থানার আবাসনের রুম থেকে গাঁজা উদ্ধার হয়।
এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিআরপি থানার তদন্তকারী অফিসার সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার দুপুরে ধৃত কনস্টেবল যতীন্দ্র চন্দ্র দাসকে বিলোনিয়া আদালতে সোপর্দ করেন। এর আগে এই ঘটনায় বিলোনিয়া থানার এসআই প্রেমজিৎ রায় ও আইবি নেপাল নমঃর বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে ধৃতকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও তারা অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত কাজে স্টেশনে গিয়েছিলেন। কনস্টেবল গ্রেপ্তারের পর গোটা ঘটনার তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।



















