News Flash

  • Home
  • Uncategorized
  • কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূতের
Image

কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূতের

কাবুল, ২২ মে (আইএএনএস): আফগানিস্তানে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট কাবুলের ওমিদ পুনর্বাসন হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি পুনরায় তুলেছেন। ওই হামলায় ২৬৯ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

এই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে আফগানিস্তানে রাষ্ট্রসংঘের সহায়তা মিশন আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ)-র এক্স পোস্টের পর, যেখানে সীমান্তবর্তী সংঘর্ষে আফগানিস্তানে বেসামরিক হতাহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়।

গত ১৬ মার্চ পাকিস্তান কাবুলের ওমিদ পুনর্বাসন হাসপাতাল-এ বিমান হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই হামলায় বহু সাধারণ মানুষের মৃত্যু এবং অনেকে আহত হন।

এক্স-এ পোস্ট করে রিচার্ড বেনেট বলেন, “১৬ মার্চ কাবুলের ওমিদ ড্রাগ রিহ্যাব হাসপাতালে পাকিস্তানের হামলায় ইউএনএএমএ ২৬৯-এর বেশি বেসামরিক মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। এর পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। সাধারণ মানুষ বা বেসামরিক স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলা যুদ্ধাপরাধের সামিল হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের চিকিৎসা কেন্দ্রে থাকা রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তালিবান-এর প্রতিও আহ্বান জানানো হচ্ছে।

গত ১২ মে ইউএনএএমএ জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে পাকিস্তানি সেনা ও আফগান বাহিনীর সীমান্ত সংঘর্ষে অন্তত ৩৭২ জন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৩৯৭ জন আহত হয়েছেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী সশস্ত্র সংঘর্ষের কারণে আফগানিস্তানে ৭৫০-এরও বেশি বেসামরিক মানুষের মৃত্যু বা আহত হওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পাকিস্তান ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ শুরু করার ঘোষণা দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ১৬ মার্চের বিমান হামলার ঘটনায় মোট হতাহতের অর্ধেকেরও বেশি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইউএনএএমএ-র তথ্য অনুযায়ী, হতাহতদের মধ্যে ছিলেন ৭২ জন মহিলা, ৫৫৪ জন পুরুষ, ৪৮ জন মেয়ে এবং ৯৫ জন ছেলে।

তদন্তে জানা গিয়েছে, ১৬ মার্চ তারাবির নামাজ শেষ হওয়ার পর হাসপাতালের বহু রোগী মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। সেই সময় তিনটি বিমান হামলা হাসপাতাল চত্বরে আঘাত হানে। এতে অন্তত ২৬৯ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হন, যাঁদের অধিকাংশই হাসপাতালের রোগী ছিলেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট বেসামরিক হতাহতের ৬৪ শতাংশ বিমান হামলার ফলে এবং ৩৪ শতাংশ মর্টার ও গোলাবর্ষণের কারণে হয়েছে।

Releated Posts

বন্য দাতাল হাতির তাণ্ডবে অতিষ্ঠ কৃষ্ণপুর, ফসল-ঘরবাড়ি হারিয়ে সর্বস্বান্ত বহু পরিবার

তেলিয়ামুড়া, ৬ জুলাই: তেলিয়ামুড়া মহকুমার ২৯-কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কৃষ্ণপুর ও সংলগ্ন এলাকায় বন্য দাতাল হাতির তাণ্ডবে চরম আতঙ্কে…

ByByTaniya Chakraborty Jul 6, 2026

রাজনীতিতে সাফল্য এলেই হিংসা তৈরি হয়, প্রতিকূলতার সামনে হার মানলে চলবে না: মোহন ভাগবত

নাগপুর, ২ জুলাই (আইএএনএস): রাজনীতিতে কারও সাফল্য অনেক সময়ই অন্যদের মধ্যে হিংসার জন্ম দেয় বলে মন্তব্য করলেন মোহন…

ByByNews Desk Jul 2, 2026

১ জুলাই থেকে বাণিজ্যিক ক্রেতাদের জন্য জ্বালানি বিক্রির বিধিনিষেধ তুলে নিচ্ছে কেন্দ্র

নয়াদিল্লি, ২৯ জুন (আইএএনএস) : আগামী ১ জুলাই থেকে বাণিজ্যিক ক্রেতাদের জন্য পেট্রোল ও ডিজেল কেনার ওপর আরোপিত…

ByBySandeep Biswas Jun 29, 2026

এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার দাবি প্রদেশ কংগ্রেসের, নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি

আগরতলা, ২৬ জুন: বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল…

ByByReshmi Debnath Jun 27, 2026
Scroll to Top