আগরতলা, ১৬ মে : আজ গোমতী জেলার সর্বত্র ১১তম ‘জাতীয় ডেঙ্গু দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। এরই সাথে ১৬ই মে থেকে ৩০শে মে, ২০২৬ পর্যন্ত জেলাব্যাপী পনেরো দিনব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানের সূচনা করা হলো। এবারের মূল বার্তা- ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গণভিত্তি: পরীক্ষা করুন, পরিষ্কার রাখুন এবং ঢেকে রাখুন’-কে সামনে রেখে গোমতী জেলার প্রতিটি মহকুমা, ব্লক এবং পঞ্চায়েত স্তরে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ যৌথভাবে এই কর্মসূচিতে শামিল হন।
জেলার বিভিন্ন প্রান্তের আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির ও উপ-কেন্দ্রগুলিতে আজ দিনটি উপলক্ষে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। পশ্চিম খুপিলঙ্গে বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে অবগত করা হয় এবং জমে থাকা জল নিষ্কাশন করা হয়। অমরপুরের রাজকাং এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে একটি বিশেষ সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে উৎসাহী গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। সর্বং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র স্তরে মা ও শিশুদের সুরক্ষায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়। করৈয়ামুড়া, দেববাড়ি এবং মৈলাক এএএম: এই কেন্দ্রগুলিতে ব্যানার ও লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার চালানো হয়। করবুক হাসপাতালেও মা ও শিশুদের সুরক্ষায় এবং নিয়মিত মশারি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি বিশেষ সচেতনতা সভার আয়োজন করা হয়।
গোমতী জেলার পতঙ্গবাহী আধিকারিক ডাঃ শৌমিক চক্রবর্তী জানান, আশা এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের ফিল্ড কর্মীরা প্রত্যন্ত এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করার কাজে হাত লাগান। গৃহস্থালির ফেলে রাখা পাত্র, টায়ার এবং রাবার বাগানের গাছের বাটিতে জমে থাকা জল ফেলে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রুখতে সপ্তাহে অন্তত একদিন ‘ড্রাই ডে’ পালন করার জন্য গ্রামবাসীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কার্যালয় থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।



















