গুজরাট উপনির্বাচন: কড়া নিরাপত্তায় উমরেঠে ভোট, দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩৭.১৪% ভোটদান
আনন্দ/নয়াদিল্লি, ২৩ এপ্রিল (আইএএনএস): গুজরাটের আনন্দ জেলার উমরেঠ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শহর ও গ্রামীণ—উভয় এলাকাতেই ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা পর্যন্ত উমরেঠ কেন্দ্রে মোট ৩৭.১৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। যদিও সামগ্রিকভাবে গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের উপনির্বাচনে ভোটের হার তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম, প্রায় ৩০ শতাংশের আশেপাশে রয়েছে।
এই কেন্দ্রে মোট ২,৪৫,৬২৩ জন ভোটার রয়েছেন, যাঁরা ছয়জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। ভোটগ্রহণের জন্য ৩০৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে—এর মধ্যে ৬৮টি শহরাঞ্চলে এবং ২৩৮টি গ্রামীণ এলাকায়। উমরেঠ তালুকের ৪৬টি গ্রাম ছাড়াও ওডে, উমরেঠ ও বোরিয়াভি পুরসভা এই কেন্দ্রের অন্তর্গত।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং আগামী ৪ মে ভোটগণনা হবে।
ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রায় ১,৩৪৮ জন ভোটকর্মী, ২২ জন মাইক্রো অবজারভার এবং ১৯ জন নোডাল আধিকারিকসহ মোট প্রায় ১,৫০০ জন কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমস্ত বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
নিরাপত্তার জন্য দুই জন ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ, চার জন পুলিশ ইন্সপেক্টর, প্রায় ৫০০ জন পুলিশ ও হোমগার্ড এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স-এর তিনটি কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে।
ভোটারদের সুবিধার্থে ২১৮টি হুইলচেয়ার, ৩৬১ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য ছয়টি বিশেষ যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার সহায়তা বুথ রয়েছে।
ভোটারদের মধ্যে রয়েছেন ৪,১৭৪ জন প্রথমবারের ভোটার (১৮-১৯ বছর বয়সী), ১,৫৫৬ জন ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটার এবং ১,৫৪৬ জন বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার। এদের মধ্যে কিছু ভোটার ইতিমধ্যেই বাড়িতে বসেই ভোট প্রদান করেছেন।
উল্লেখ্য, বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক গোবিন্দ পারমারের মৃত্যুর পর এই আসনটি শূন্য হয় এবং সেই কারণেই উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে মহারাষ্ট্রের বারামতি ও রাহুরি আসনেও ভোটগ্রহণ চলছে, যেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার যথাক্রমে ৩১.৯১ শতাংশ এবং ২৯.৬৮ শতাংশ। সব উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৪ মে।


















