News Flash

  • Home
  • দেশ
  • দিল্লিতে মাঝরাতের গুলির লড়াইয়ের পর ৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, ভাঙল বহু-রাজ্য জুড়ে দস্যু চক্র
Image

দিল্লিতে মাঝরাতের গুলির লড়াইয়ের পর ৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, ভাঙল বহু-রাজ্য জুড়ে দস্যু চক্র

নয়াদিল্লি, ১৫ এপ্রিল (আইএএনএস): দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের অ্যান্টি-এক্সটরশন অ্যান্ড কিডন্যাপিং সেল এক উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে মাঝরাতে গুলির লড়াইয়ের পর ছয়জন অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার পুলিশ সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, ধৃতরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে দিল্লি, কর্ণাটক, উত্তর প্রদেশ, গোয়া-সহ একাধিক রাজ্যে ধারাবাহিক দস্যুতা চালাচ্ছিল। এই গ্রেপ্তারের ফলে বহু পুরনো ডাকাতি, লুট ও খুনের মামলার রহস্য উদ্ঘাটন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অধিকারিকরা জানান, গত কয়েক মাস ধরেই এই চক্রের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। বিশেষ করে দিল্লিতে সক্রিয় থাকার পর তারা অন্যান্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

গত বছর গোয়ায় এই চক্র দুটি বড় দস্যুতা চালায় বলে অভিযোগ, যেখানে বাসিন্দাদের আহত করে লক্ষাধিক টাকার নগদ ও গয়না লুট করা হয়। কর্ণাটকেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

গোয়াপুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে দিল্লি পুলিশের দল। ১৪ ও ১৫ এপ্রিলের মধ্যরাতে সাব-ইন্সপেক্টর অশোক কুমারের নেতৃত্বে তথ্য আসে যে, দক্ষিণ দিল্লির সরাই কালে খাঁ শ্মশানঘাটের কাছে জড়ো হবে চক্রটি।

এরপর এসিপি পঙ্কজ অরোরার নেতৃত্বে এবং ডিসিপি সঞ্জীব কুমার যাদবের তত্ত্বাবধানে একটি দল সেখানে ফাঁদ পাতে। পুলিশ ঘিরে ফেললে অভিযুক্তরা আত্মসমর্পণ না করে গুলি চালায়। জবাবে পুলিশ নিয়ন্ত্রিতভাবে পাল্টা গুলি চালায়।

সংক্ষিপ্ত গুলির লড়াইয়ের পর সুমন হালদার (৩৫), সাইফুল ইসলাম (৩১), সোহেল শেখ (৩৫), মোহাম্মদ নাসির (৪৮), নূর ইসলাম (৫৬) ও জাকির (৪০) নামে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধৃতদের কাছ থেকে চারটি দেশি পিস্তল, জীবন্ত কার্তুজ এবং বাড়ি ভাঙার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আরও দুই অভিযুক্ত—শাকায়াত ও ইলিয়াস—অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে গেছে। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি “হিট-রান-হাইড” কৌশল ব্যবহার করত। তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে অপরাধ করে ফের পালিয়ে যেত। স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে সম্ভাব্য লক্ষ্য চিহ্নিত করা এবং অস্ত্র জোগাড় করত তারা।

পুলিশের অনুমান, চক্রটির সঙ্গে মানবপাচারকারীদের যোগ রয়েছে এবং নজর এড়াতে তারা মোবাইল ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলত।

ঘটনার তদন্ত চলছে এবং গোটা নেটওয়ার্কের সন্ধান পেতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

Releated Posts

শুধু বৃষ্টির ঘাটতি দিয়ে খরা ঘোষণা নয়, বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত: গুজরাট সরকার

গান্ধীনগর, ১১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): শুধুমাত্র বৃষ্টিপাতের ঘাটতির ভিত্তিতে গুজরাটের কোনও জেলাকে খরাপ্রবণ ঘোষণা করা হবে না বলে শুক্রবার…

ByByTaniya Chakraborty Sep 11, 2026

ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সড়কে বাধাহীন টোল ব্যবস্থা চালু হবে: নীতিন গডকরি

মুম্বই, ১১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভারতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও বাধাহীন হাইওয়ে টোল ব্যবস্থা চালু করা হবে…

ByByTaniya Chakraborty Sep 11, 2026

ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়ার নৌপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় নৌপ্রধান, সামুদ্রিক সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

ক্যানবেরা, ১১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্যে শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার নৌপ্রধান ভাইস…

ByByTaniya Chakraborty Sep 11, 2026

ব্রিকসের বৈশ্বিক গুরুত্ব রয়েছে, ভারতের কূটনৈতিক সক্ষমতাও তুলে ধরে: শশী থারুর

নয়াদিল্লি, ১১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ব্রিকসের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এই জোটের গুরুত্বের পক্ষে সওয়াল করলেন কংগ্রেস সাংসদ…

ByByTaniya Chakraborty Sep 11, 2026
Scroll to Top