নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১১ সেপ্টেম্বর:
স্বেচ্ছা রক্তদান হল মানবিকতার অন্যতম নিদর্শন। রাজ্যে স্বেচ্ছা রক্তদান আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তরুণ প্রজন্মকে আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে রক্তদান কর্মসূচি আমাদের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। আরও বেশি মানুষকে রক্তদান কর্মসূচিতে যুক্ত করতে হবে। আজ নেতাজী সুভাষ রিজিওন্যাল কোচিং সেন্টারে (এনএসআরসিসি) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দের মর্মর মূর্তির আবরণ উন্মোচন ও রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছে ত্রিপুরা ক্রীড়া পর্যদ।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশপ্রেম ও মানবিকতার অন্যতম দৃষ্টান্ত হলেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিবেকানন্দ ও নেতাজীর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করছেন। স্বামীজি ও নেতাজীর আদর্শ মানুষ ব্যক্তিগতভাবে এবং সামাজিকভাবে যত বেশি গ্রহণ করবেন সমাজ তত বেশি সঠিক দিশায় পরিচালিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বেচ্ছা রক্তদান সমাজে একটা ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করে। খেলাধুলা এবং এধরণের সমাজ কল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুবসমাজকে আরও বেশি করে যুক্ত করতে পারলে নেশামুক্ত ও নতুন ত্রিপুরা গঠন করার কাজ ত্বরান্বিত হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে নিজের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব। ক্রীড়াক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক দুটি ক্ষেত্রেই শক্তিশালী হতে হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের যুব সমাজকে শারীরিক মানসিক ভাবে শক্তিশালী করতে যোগাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজ্যের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ত্রিপুরার ক্রীড়াবিদগণ তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব তাপস রায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, পদ্মশ্রী দীপা কর্মকার, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের অধিকর্তা এল ডার্লং। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা ক্রীড়া পর্যদের সচিব সুকান্ত ঘোষ। অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রাক্তন ফুটবলার ও ক্রীড়া প্রশিক্ষক বিমল কুমার রায় চৌধুরীকে মুখ্যমন্ত্রী সংবর্ধনা জানান।


















