নয়াদিল্লি, ১৪ এপ্রিল (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মোট ২,৯২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)।
ইসিআই সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফার ভোট (ফেজ-II) অনুষ্ঠিত হবে ২৯ এপ্রিল। এই দফার জন্য মনোনয়ন জমার শেষ দিন ছিল ৯ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল হয় যাচাই (স্ক্রুটিনি) এবং ১৩ এপ্রিল বিকেল ৩টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল।
প্রথম দফায় (ফেজ-I) ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দ্বিতীয় দফায় (ফেজ-II) ১৪২টি কেন্দ্রে লড়ছেন ১,৪৪৮ জন প্রার্থী। দুই দফা মিলিয়ে মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৯২৬।
কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসাররা চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করবেন, যা নির্বাচন বিধি অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।
এছাড়া মনোনয়ন, যাচাই এবং প্রত্যাহার সংক্রান্ত সমস্ত নথি সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ভোটারদের সুবিধার জন্য ইসিআই ‘আপনার প্রার্থীকে জানুন শিরোনামে ইসিআইনেট অ্যাপ-এ প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, সম্পত্তি, দায়-দায়িত্বসহ বিস্তারিত তথ্য দেখার ব্যবস্থা করেছে। প্রার্থীদের হলফনামাও ডাউনলোড করা যাবে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) প্রার্থীদের নাম, সিরিয়াল নম্বর, প্রতীক এবং রঙিন ছবি বড় অক্ষরে প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
এরই মধ্যে ১১ এপ্রিল রাজ্য পুলিশে বড়সড় রদবদলের নির্দেশ দিয়েছে ইসিআই। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের মোট ৩০ জন আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ডিআইজি থেকে শুরু করে ইনস্পেক্টর স্তরের আধিকারিকও রয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য বদলির মধ্যে, কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) পদে রূপেশ কুমারের পরিবর্তে সোমা দাস মিত্রকে আনা হয়েছে। একইভাবে যুগ্ম কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) মিরাজ খালিদের জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন সুদীপ সরকার।
উল্লেখ্য, ১৫ মার্চ ইসিআই অসম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করেছিল, পাশাপাশি ছয়টি রাজ্যে উপনির্বাচনের কথাও জানানো হয়।



















