আগরতলা, ৪ এপ্রিল: রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল, এল.পি.জি. সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিদিন মজুত (স্টক) ও সরবরাহের বিষয়ে খাদ্য দপ্তর পর্যালোচনা করছে। আজ খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্য দপ্তরের বিশেষ সচিব দেবপ্রিয় বর্ধন সাংবাদিকদের এই সংবাদ জানান।
তিনি জানান, বর্তমানে বোধজংনগর এল.পি.জি. প্ল্যান্ট থেকে পাঁচটি জেলায় এবং শিলচর প্ল্যান্ট থেকে অবশিষ্ট তিনটি জেলায় এল.পি.জি. সরবরাহ চলছে। ধর্মনগরস্থিত আই.ও.সি.এল.-এর ডিপো সহ সমস্ত পেট্রোল পাম্পগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেলের মজুত রয়েছে। তাই এল.পি.জি. সিলিন্ডারের সংকট হতে পারে এই ভাবনা থেকে আতঙ্কিত না হয়ে গুজবে কান না দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ভোক্তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ১৯ কেজি ওজনের কমার্শিয়াল এল.পি.জি. গ্যাসের মূল্য রয়েছে ২,৫৮৭ টাকা। ১৪.২ কেজি ওজনের ডোমেস্টিক গ্যাসের মূল্য রয়েছে ১,০৭৩ টাকা ৫০ পয়সা। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী ডিস্ট্রিবিউটরগণ রিকয়ারমেন্ট জমা দিলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পণ্য সরবরাহ করা হয়। তিনি বলেন, পেট্রোল, ডিজেল, এল.পি.জি. সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বিষয়ে মহকুমা পর্যায়ে নজর রাখা হচ্ছে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মূল্য যাতে স্বাভাবিক থাকে সে বিষয়ে খাদ্য দপ্তর সচেষ্ট রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যে পি.এন.জি, সংযোগ প্রায় ৭০ হাজার রয়েছে। আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড ডিজিটাল অথেন্টিকেশন অন ডেলিভারি (এল.পি.জি.)-র ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ৯০ শতাংশ আবশ্যকভাবে বাস্তবায়ন করেছে। তিনি জনগণকে কালোবাজারি ও অসাধু ব্যবসার প্রতিরোধে দপ্তরকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কালোবাজারি ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দপ্তর অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা সুমিত লোধ উপস্থিত ছিলেন।



















