News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • Minister Jishnu Devvarma : ত্রিপুরায় গৃহহীন ও গরীব পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণ প্রকল্পে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাকা ঘর বরাদ্দের জন্য চেষ্টা চলছে : উপমুখ্যমন্ত্রী 
Image

Minister Jishnu Devvarma : ত্রিপুরায় গৃহহীন ও গরীব পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণ প্রকল্পে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাকা ঘর বরাদ্দের জন্য চেষ্টা চলছে : উপমুখ্যমন্ত্রী 

আগরতলা, ২৩ মার্চ (হি. স.) : প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের প্রত্যেক গৃহহীন ও গরীব পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাকা ঘর বরাদ্দের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। টিনের চালের ঘরে বসবাসকারী গরীব পরিবারগুলি যাদের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পে ঘর পাওয়ার কোনও সুযোগ ছিল না তাদের জন্যও অভিনব পদক্ষেপ নিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ঘরের বরাদ্দ করেছে ত্রিপুরা সরকার। আজ বিধানসভা অধিবেশনে রেফারেন্স পিরিয়ডে বিধায়ক শঙ্কর রায়ের আনীত একটি জনস্বার্থ সম্বলিত বিষয়ের উপর আলোচনাকালে একথা জানান উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা। রেফারেন্স পিরিয়ডের বিষয় ছিল- ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (গ্রামীণ) এনেক্সার-সি এবং ডি-তে যে সমস্ত পরিবারের নাম অন্তর্ভুক্ত হয় নাই তাদের জন্য সরকারের তরফে কোন সুযোগ রয়েছে কি, বা থাকবে কিনা?’

এবিষয়ের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা আরও জানান, ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পে এনেক্সার-সি থেকে ৫৩,৮২৭টি ঘরের অনুমোদন পেয়েছে ত্রিপুরা সরকার। তার মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ ঘরের নির্মাণ ২০১৮ সালের পর সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর কথায়, ২০২১ সালে কাঁচা ঘরের সংজ্ঞা পরিবর্তন করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। সে মোতাবেক কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের অনুরোধ স্বীকার করে এবং এই অর্থবছরেই রাজ্যে টিনের চাল বিশিষ্ট ঘরে বসবাসকারী ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৯০টি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণ প্রকল্পে পাকা ঘর প্রদানের জন্য চিহ্নিত করা হয়। এরমধ্যে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ৯২৩টি পরিবারকে ইতিমধ্যে ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে এবং বাকি যোগ্য সুবিধাভোগীদেরও অতি সহসাই ঘর বরাদ্দ করা হবে। 

সাথে তিনি যোগ করেন, ২০১১ সালে ত্রুটিপূর্ণ সোসিও ইকোনমিক কাস্ট সেন্সাসের দরুণ অনেক যোগ্য পরিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পের মাধ্যমে ঘর পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ২০১৮ সালে এনেক্সার-ডি আবাস তালিকা তৈরি করে ত্রিপুরা সরকার। এনেক্সার-ডি আবাস তালিকায় প্রায় ২.৭৩ লক্ষ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পে ঘর প্রদানের জন্য প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়। খুব শীঘ্রই এই তালিকার যোগ্য সুবিধাভোগীদেরও ঘর বরাদ্দ করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

তাঁর সাফ কথা, এনেক্সার-সি এবং এনেক্সার-ডি বহির্ভূত কোনও পরিবারের যদি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ প্রকল্পের গাইডলাইন অনুযায়ী ঘর পাওয়ার যোগ্যতা আছে বলে বিবেচিত হয় তবে সরকার অবশ্যই সেই পরিবারকে বা পরিবারগুলিকে ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে যথাযোগ্য সাহায্য করবে।

Releated Posts

শুধুমাত্র বিরোধিতা করার মানসিকতা নিয়ে দেশের বিরোধী দলগুলো সরকারের সব জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩০ এপ্রিল: শুধুমাত্র বিরোধিতা করার মানসিকতা নিয়ে দেশের বিরোধী দলগুলো সরকারের সব জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে। নারী…

ByByNews Desk Apr 30, 2026

কেন্দ্রীয় সরকার মা-বোন ও কণ্যাদের কল্যাণ, উন্নয়ন এবং তাদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩০ এপ্রিল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলাদের কল্যাণে এবং তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করছেন। সংসদে…

ByByNews Desk Apr 30, 2026

নারীবিদ্বেষী বিরোধীরা শূন্যে, সিপিআইএম হবে ডাবল জিরো: রতন লাল নাথ

আগরতলা, ৩০ এপ্রিল: বিরোধীরা মহিলাদের  বিরুদ্ধে কথা বলে বলেই তারা অধিকাংশ রাজ্যে আসন হারাচ্ছে এবং আগামী দিনে তারা…

ByByNews Desk Apr 30, 2026

বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দক্ষিণ জেলায় মাছ- মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

আগরতলা, ৩০ এপ্রিল: আগামীকাল পবিত্র বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক মোঃ সাজাদ পি এক আদেশ বলে…

ByByNews Desk Apr 30, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top