নয়াদিল্লি, ৩১ জুলাই (আইএএনএস): মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে বহুতল ভবন ধসে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন। তাঁরা মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, “মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে ভবন ধসে প্রাণহানির খবর অত্যন্ত মর্মান্তিক। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল। এই দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”
উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণনও শোকপ্রকাশ করে বলেন, “মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে ভবন ধসে প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”
এদিকে, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) জানিয়েছে, থানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে বহুতল ভবন ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারকারীরা একের পর এক দেহ উদ্ধার করছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এখনও বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ফলে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভিওয়ান্ডির বালাজি নগর এলাকার চারতলা কোহিনুর ভবনের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই সময় ভবনটিতে মেরামতির কাজ চলছিল। রাত প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। ৪৮টি কক্ষবিশিষ্ট ভবনটিকে এর আগেই স্থানীয় পুর কর্তৃপক্ষ বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাত ৯টা নাগাদ ভবন থেকে ফাটলের শব্দ শোনা গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বাসিন্দাদের বের করে আনার চেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু অনেকেই বেরিয়ে আসার আগেই ভবনের ‘বি’ উইং ধসে পড়ে এবং বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।
ঘটনার খবর পেয়ে এনডিআরএফ, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। জেসিবি-সহ ভারী যন্ত্রের সাহায্যে রাতভর ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলে। তবে অন্ধকার এবং বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষের কারণে উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি হলেও অভিযান এখনও জোরকদমে চলছে।



















