আগরতলা, ১১ জুন: ত্রিপুরা শান্তি নিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গার্লস হোস্টেলে কর্মরত মনীষা দাসের রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে হোস্টেলের একটি কক্ষে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
কাঠালতলি এলাকার বাসিন্দা মনীষা দাস ওই হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে পরিবার ও আত্মীয়রা হাসপাতালে ছুটে আসেন। তবে পরিবারের দাবি, এটি কোনো আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে মনীষাকে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ পরিবার। মায়ের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
মনীষার মায়ের অভিযোগ, মেয়ের ডিউটি ছিল সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু তারপরেও মেয়েকে রাতে থাকার জন্যে বাধ্য করা হতো। হয়তো গোপন কোনো বিষয় জেনে গেছিলেন মনীষা, তাই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। যেভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয়েছে সেটি আত্মহত্যা নয় বলেও দাবি পরিবারের।
বর্তমানে পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতির পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।



















