News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • ধর্মনগরে জনশুমারি ২০২৭-এর প্রস্তুতি শুরু, সাংবাদিক সম্মেলন ও তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শিবিরের সূচনা
Image

ধর্মনগরে জনশুমারি ২০২৭-এর প্রস্তুতি শুরু, সাংবাদিক সম্মেলন ও তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শিবিরের সূচনা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ২২ মে :
জাতীয় স্তরের ডিজিটাল জনশুমারি ২০২৭-কে সফল ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে উত্তর ত্রিপুরা জেলায় শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি পর্ব। ধর্মনগরে উত্তর জেলা শাসক কার্যালয়ের ভিসি কনফারেন্স হলে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে আসন্ন জনশুমারির রূপরেখা, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।

সাংবাদিক সম্মেলনের পর জেলা শাসক কার্যালয়ের সভাগৃহে বিভিন্ন ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), সুপারভাইজার এবং বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শিবিরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। আগামী ২২, ২৩ ও ২৬ মে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত সরকারের সেন্সাস বিভাগের প্রিন্সিপাল অফিসার রতন বিশ্বাস এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর শুভজিৎ দেবরায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক বিজয় সিনহা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রতন বিশ্বাস জানান, আসন্ন জনশুমারিতে প্রত্যেক পরিবারের কাছ থেকে মোট ৩৩টি প্রশ্নের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত এই জনশুমারিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিডিও ও সুপারভাইজারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে কীভাবে সঠিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় প্রশিক্ষণ শিবিরে।

তিনি আরও জানান, ২০১১ সালের জনগণনায় ত্রিপুরা শিক্ষা, জনসংখ্যা ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছিল। সেই সময় রাজ্যের মোট জনসংখ্যা ছিল ৩৬ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯১৭ জন। সাক্ষরতার হার ছিল ৮৭.২২ শতাংশ, যা জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। পুরুষ সাক্ষরতার হার ছিল ৯১.৫৩ শতাংশ এবং মহিলা সাক্ষরতার হার ছিল ৮২.৭৩ শতাংশ।

২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, রাজ্যের লিঙ্গ অনুপাত ছিল প্রতি ১০০০ পুরুষে ৯৬০ জন মহিলা এবং জনঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩৫০ জন। সেই সময় রাজ্যের প্রায় ৭৩.৮৩ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে এবং ২৬.১৭ শতাংশ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করতেন।

আধিকারিকদের মতে, জনশুমারি ২০২৭ রাজ্যের ভবিষ্যৎ আর্থ-সামাজিক পরিকল্পনা, উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবার সুষ্ঠু বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Releated Posts

ধর্মনগরে সার্ভার বিপর্যয়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত, চরম ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

ধর্মনগর, ৬ জুলাই: উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে বিদ্যুৎ দপ্তরের ডিভিশন-১ ও ডিভিশন-২ অফিসে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সার্ভার পরিষেবা…

ByByTaniya Chakraborty Jul 6, 2026

এক মাস ধরে সার্ভার বিকল, সেকেরকোট দারোগাবাড়ি বিদ্যুৎ নিগম অফিসে বিল জমা দিতে এসে চরম ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

আগরতলা, ৬ জুলাই: সেকেরকোট দারোগাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত বিদ্যুৎ নিগমের বিল সংগ্রহ কেন্দ্রে গত এক মাস ধরে সার্ভার বিকল…

ByByReshmi Debnath Jul 6, 2026

মেধাতালিকা প্রকাশ ও নিয়োগের দাবিতে টিআরবিটি দপ্তরে টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভ

আগরতলা, ৬ জুলাই : ২০২৪ সালের টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা আজ টিআরবিটি-এর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভে সামিল…

ByByTaniya Chakraborty Jul 6, 2026

পরীক্ষার আগে এসএসটি বইয়ের অপেক্ষায় পড়ুয়ারা

আগরতলা, ৬ জুলাই: পরীক্ষার আর মাত্র সাত দিন বাকি। অথচ এখনও হাতে পৌঁছায়নি সামাজিক বিজ্ঞান (এসএসটি) বিষয়ের পাঠ্যবই।…

ByByTaniya Chakraborty Jul 6, 2026
Scroll to Top