আগরতলা ফ্লাড মিটিগেশন প্রজেক্টকে ভিত্তি করে তৈরি কেস স্টাডি পুরস্কৃত

আগরতলায়, ১৮ জুলাই:  আগরতলা শহরের জমা জল নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের উপর ভিত্তি করে রাজ্য সরকারের সচিব কিরণ গিত্যের তৈরি করা কেস স্টাডি সম্প্রতি মুসৌরিস্থিত লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ন্যাশনাল একাডেমি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (LBSNAA) দ্বারা পরিচালিত এক প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে। আগরতলা ফ্লাড মিটিগেশন প্রজেক্টের উপর ভিত্তি করে এই কেস স্টাডি তৈরি করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২৩টি ক্যাডার রাজ্যের ৮৩জন আইএএস অফিসারকে নিয়ে গত ১৮ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী আইএএস অফিসারদের একটি করে কেস স্টাডি জমা দিতে বলা হয়। ত্রিপুরা থেকে অংশগ্রহণকারী স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে ২০১৯-২০ সময়ের মধ্যে তাঁর নগরোন্নয়ন দপ্তরের সচিব ও আগরতলা স্মার্ট সিটি প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতার নিরিখে আগরতলা শহরের জমা জল নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে কেস স্টাডি জমা করেন।

উল্লেখ্য যে, আগরতলা ফ্লাড মিটিগেশন প্রজেক্টে তিন বছর সময়কালে নর্দমার জল নিষ্কাশনী পাম্প, ডিজেল চালিত পাম্প, আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপলাইন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, মেশিন দিয়ে ড্রেইন পরিষ্কার করা, নতুন ড্রেইন ও ফ্লুইস গেইট নির্মাণ এবং ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড ব্যবস্থায় চব্বিশ ঘণ্টা বন্যা পরিস্থিতির উপর নজরদারি ইত্যাদি উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে ১৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারি বর্ষণে জল জমে থাকার সময় ২-৩ দিন থেকে কমিয়ে ১ ঘণ্টার কম করা সম্ভব হয়েছে। লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ন্যাশনাল একাডেমি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিরেক্টর শ্রীরাম তরুনীকান্তি রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। 

স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত অধিকর্তা এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানিয়েছেন।