নয়াদিল্লি, ৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): গত দুই সপ্তাহে দেশজুড়ে আটটি বড় অভিযানে প্রায় ৭৪০ কেজি গাঁজা ও চরস বাজেয়াপ্ত করেছে রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর (ডিআরআই)। এই ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রক।
মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, বাজেয়াপ্ত মাদকের মধ্যে রয়েছে ৭০৯.৬ কেজি গাঁজা, ২৪.৫ কেজি উচ্চমানের হাইড্রোপনিক গাঁজা এবং ৫ কেজি চরস।
গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিআরআই আধিকারিকরা রায়পুরের কাছে ওল্ড ধামতরি রোডে বিশাখাপত্তনম থেকে আসা দুটি ট্রাক আটক করেন। ট্রাক দুটির লোডিং অংশে ১০টি বস্তার মধ্যে লুকিয়ে রাখা ৬১টি প্যাকেট থেকে মোট ৩৭৫.৯৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। এনডিপিএস আইন, ১৯৮৫-এর অধীনে দুটি ট্রাক-সহ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
৫-৬ সেপ্টেম্বর পাওয়া নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাটনার কাছে ঔরঙ্গাবাদ-পাটনা হাইওয়েতে আরও একটি ট্রাক আটক করে ডিআরআই। অভিযানের সময় আধিকারিকদের উপর হামলা চালানো হয় এবং একজন আহত হন। ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ৯০টি প্যাকেটে থাকা ১৪০.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়।
এর আগে ২৬ আগস্ট রায়পুরের কাছে একটি ট্রাকে লুকিয়ে রাখা প্রায় ১২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
৩ সেপ্টেম্বর গোরখপুর রেলস্টেশনে অমরনাথ এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরায় তল্লাশি চালিয়ে তিন যাত্রীকে আটক করেন ডিআরআই আধিকারিকরা। তাঁদের মধ্যে দু’জনের কাছ থেকে প্রায় ৫ কেজি চরস উদ্ধার হয়। উরুর চারপাশে হাঁটুর ক্যাপের মতো আবরণে মাদক লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তা শাড়ির ভিতরে গোপন করা হয়। তদন্তে জানা যায়, চরসটি নেপাল থেকে পাচার করে আনা হয়েছিল। তিনজনকেই এনডিপিএস আইন, ১৯৮৫-এর অধীনে গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়া গত ১৫ দিনে ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে হায়দরাবাদ ও বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে আসা তিন যাত্রীর কাছ থেকেও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন হাইড্রোপনিক গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ওই অভিযানে প্রায় ২৪.৬ কেজি হাইড্রোপনিক গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়।
—আইএএনএস
























