শিলং, ৩ জুন (আইএএনএস বাংলা): আসন্ন উত্তর-পূর্ব পরিষদ-এর বার্ষিক বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য গঠিত বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক টাস্ক ফোর্সের সুপারিশ পর্যালোচনার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে. সাংমা।
বুধবার শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বুধবার সন্ধ্যায় মেঘালয়ের রাজধানীতে পৌঁছবেন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এনইসি-র পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালরা উপস্থিত থাকবেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে যে টাস্ক ফোর্সগুলি গঠন করা হয়েছিল, তাদের প্রস্তুত করা রিপোর্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। পর্যটন, যুবকল্যাণ, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বের দায়িত্ব পৃথক পৃথক রাজ্যকে দেওয়া হয়েছে।
মেঘালয় পর্যটন ক্ষেত্রের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেবে উল্লেখ করে সাঙ্গমা বলেন, “আমরা চাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একটি একক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে। পৃথক রাজ্য হিসেবে প্রচারের বদলে গোটা অঞ্চলকে একসঙ্গে উপস্থাপন করা হলে পর্যটকরা এক সফরেই একাধিক রাজ্যের সৌন্দর্য ও সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।”
তিনি আরও জানান, বৈঠকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নীতিগত বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (ডোনার মন্ত্রক)-এর মন্ত্রীও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করতে পারেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা ৫ জুন মেঘালয় সফরে আসবেন। এছাড়া আগামী ১০ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন-এরও শিলং সফরের সম্ভাবনা রয়েছে।
সাঙ্গমা আরও জানিয়েছেন, তিনি আগামী ১১ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য নীতি আয়োগ-এর বৈঠকেও অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আঞ্চলিক সংহতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তার প্রেক্ষিতে এবারের এনইসি বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।



















