News Flash

  • Home
  • দেশ
  • স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে বিকেন্দ্রীকরণের পথে ডাব্লিউবিএসএসসি, সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের
Image

স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে বিকেন্দ্রীকরণের পথে ডাব্লিউবিএসএসসি, সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

কলকাতা, ১৪ মে (আইএএনএস) : শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ডাব্লিউবিএসএসসিকে বিকেন্দ্রীকরণের সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। রাজ্যের শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, স্কুল নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম ধাপে পুরনো পাঁচটি আঞ্চলিক অফিসভিত্তিক ব্যবস্থাকে ফের চালু করা হবে। আগে জেলা ভিত্তিক অঞ্চল ভাগ করে এই পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে ডাব্লিউবিএসএসসি পরিচালিত হতো।

১৯৯৭ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতিবসু-র নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ডাব্লিউবিএসএসসি গঠিত হয়। সেই সময় থেকেই বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থার মাধ্যমে কমিশনের কাজ পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

তবে ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই পাঁচটি আঞ্চলিক অফিস কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এরপর থেকে কলকাতার সল্টলেকের আচার্য সদনে অবস্থিত কমিশনের সদর দফতর থেকেই সমস্ত শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের কাজ পরিচালিত হত।

শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানান, নতুন সরকার আবারও পুরনো বিকেন্দ্রীকৃত ব্যবস্থায় ফিরতে চাইছে। গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত কমিশনের সদর দফতর থেকে নেওয়া হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনেকটাই আঞ্চলিক স্তরে সম্পন্ন হবে।

একইসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও বিকেন্দ্রীকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদকে ‘স্বশাসিত’ মর্যাদা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর আগে এই সংস্থাগুলি ডাব্লিউবিবিপিই-এর জেলা স্তরের সম্প্রসারিত শাখা হিসেবেই কাজ করত।

উল্লেখ্য, আগের তৃণমূল আমলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

এদিকে, শিক্ষা দফতর ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসকদের কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে, যাতে তাঁদের জেলায় ঘুষের বিনিময়ে চাকরি পাওয়া “চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্ত” শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

শুধু তালিকা তৈরি নয়, ওই প্রার্থীরা চাকরির সময়কালে যে বেতন পেয়েছেন এবং তার উপর সুদের পরিমাণও হিসাব করতে বলা হয়েছে জেলাশাসকদের। কলকাতা হাইকোর্টের ২০২৪ সালের নির্দেশ এবং পরে ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই অর্থ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আদায় করবে রাজ্য সরকার।

Releated Posts

বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ব্রিকস দেশগুলি: নির্মলা সীতারামন

জয়পুর, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): ব্রিকস-এর সদস্য দেশগুলির অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলেও বৃহৎ পরিসরে বেসরকারি…

ByByNews Desk Aug 12, 2026

ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের আন্দোলনের ২০ দিন, দুই দাবিতে এখনও অচলাবস্থা

রাঁচি, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে পড়ুয়াদের চলমান আন্দোলন বুধবার ২০ দিনে পড়ল।…

ByByNews Desk Aug 12, 2026

অপারেশন সিঁদুরের পর লস্কর, জইশ ও হিজবুলের অভিযান সরাসরি নিয়ন্ত্রণে আইএসআই

নয়াদিল্লি, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপের ধরনে বড় পরিবর্তন এসেছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে…

ByByNews Desk Aug 12, 2026

সংখ্যালঘুদের নিশানা করতেই এফসিআরএ সংশোধনী: অভিযোগ অখিলেশের, বিল প্রত্যাহারের দাবি বিরোধীদের

নয়াদিল্লি, ১২ আগস্ট (আইএএনএস): প্রস্তাবিত বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন বা এফসিআরএ-র সংশোধনী নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন…

ByByNews Desk Aug 12, 2026
Scroll to Top