কমলাসাগরে ফের সীমান্ত হাট চালুর দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৭ ফেব্রুয়ারী৷৷ করোনা মহামারীর সময়কালে সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পর এখনো  পর্যন্ত পুনরায় সীমান্ত হাট না খোলায় অস্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা৷ বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি সীমান্তবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছিল সীমান্ত হাট৷ আর এই সীমান্ত হাট গড়ে ওঠার ফলে বাংলাদেশ এবং ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যে ব্যবসার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের সাথে ভাতৃত্বের সম্পর্ক আরো চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল৷ ঠিক একইভাবে  বিশালগড় মহকুমার অন্তর্গত কমলাসাগর মায়ের মন্দিরের পার্শবর্তী ভারত বাংলা সীমান্তে দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় সীমান্ত হাট গড়ে উঠেছিল৷ সপ্তাহে একদিন করে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা এই হাটে তাদের পন্য সামগ্রী নিয়ে ব্যবসার উদ্দেশ্যে বসতো৷এই সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ যেমন কেনাকাটা করতে আসতো ,ঠিক একই ভাবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও মানুষ এই সীমান্ত হাটে আসতো৷ উভয় দেশের মধ্যেই বিভিন্ন সামগ্রী বেশ ভালো পরিমাণে বেচাকেনা হতো৷ সারা বিশ্ব জুড়ে শুরু হয় করোণা মহামারীর আতঙ্ক৷এই করোণা  মহামারীর সময়  কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে যায়৷ তারপর থেকেই কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট একেবারে জনশূন্য হয়ে পড়ে, শুনশান হয়ে যায় এই সীমান্ত হাট৷ কিন্তু আজও কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা হয়নি৷ তাই এই সীমান্ত হাট নিয়ে কমলা সাগরের  ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরেই এই সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে রয়েছে৷ যখন এই সীমান্ত হাট চালু ছিল তখন দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন জিনিস বেচাকেনা সহ দুই দেশের মানুষের  মধ্যে ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন গড়ে উঠেছিল৷ তাছাড়াও সীমান্ত হাট চালু থাকার সময় হাটের বাইরের দোকানগুলিতেও খুব ভালো ব্যবসা হতো৷ কেননা রাজ্যের মানুষ এই সীমান্ত হাটে এসে কমলা সাগর মায়ের মন্দিও দর্শন করত এবং মায়ের মন্দিরের পাশের ব্যবসায়ীরাও খুব ভালো ব্যবসা করতে পারত৷ বর্তমানে এই সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কমলা সাগরের স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বাজার মন্দা বলে জানিয়েছেন৷ ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন ,কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করার জন্য বাংলাদেশ এবং ভারত দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে৷ তাই সরকারের কাছে ব্যবসায়ীরা দাবি জানিয়েছেন সরকার যেন অবিলম্বে  এই কমলাসাগর সীমান্ত হাট চালু করার ব্যবস্থা করে৷