খেলা মহাকুম্ভের মতো ইভেন্টগুলি ক্রীড়াবিদদের শক্তিশালী করছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী

নয়াদিল্লি, ৫ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আগে দেশের তরুণদের খেলাধুলার চেতনা থাকলেও সম্পদের অভাব ও সরকারি সহযোগিতার অভাবে বাধা আসত। এখন আমাদের খেলোয়াড়দের এই চ্যালেঞ্জের সমাধান করা হচ্ছে। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জয়পুর মহাখেলের অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। জয়পুর গ্রামীণ লোকসভা সদস্য রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর ২০১৭ সাল থেকে জয়পুর মহাখেল আয়োজন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজস্থান দেশকে অনেক ক্রীড়া প্রতিভা দিয়েছে এবং অনেক পদক জিতে দেশকে গর্বিত করেছে।

তিনি বলেন, “ইতিহাস সাক্ষী এই বীর ভূমির সন্তানেরা তাঁদের বীরত্বে রণক্ষেত্রকে খেলার মাঠে পরিণত করেছে। তাই অতীত থেকে আজ পর্যন্ত যখনই দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, রাজস্থানের যুবকরা কারও থেকে পিছিয়ে নেই।এদিন তিনি দেশের যুবকদের কাছে ‘শ্রী আন্না’ অর্থাৎ মোটা শস্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। স্কুল-কলেজে এর সুবিধা নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী মোদী খেলা মহাকুম্ভকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের সূচক হিসেবে বর্ণনা করে জানান, এবার সর্বোচ্চ বাজেট দেওয়া হয়েছে জাতীয় ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে। এটি ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং ক্রীড়া প্রযুক্তির মতো সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে যুবকদের অনেক সুযোগ প্রদান করবে।জয়পুর মহাখেলে বিজেপি সাংসদ রাজ্যবর্ধন রাঠোর বলেন, আগের সরকারগুলিতে ক্রীড়াবিদ এবং খেলাধুলার দুর্দশা ছিল, কিন্তু এখন সরকার খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা এবং সম্মান দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, মহাখেল শুরু হয়েছে ১২ জানুয়ারি জাতীয় যুব দিবসের দিন। এই ইভেন্টে ৪৫০টিরও বেশি গ্রাম পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং ৮ টি বিধানসভা কেন্দ্রের ওয়ার্ড থেকে ৬৪০০জনেরও বেশি যুবক এবং ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ করছেন।