নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩ এপ্রিল৷৷ জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য বহির্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাজ্যের কিছু রোগীকে যেতে হচ্ছে দীর্ঘকাল ধরেই৷ রাজ্য সরকার এ রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রভূত উন্নতিসাধন করার মাধ্যমে বহির্রাজ্যে চিকিৎসার উপর নির্ভরতা কমাতে সচেষ্ট৷ এর সুুফলও মিলছে৷ রাজ্যে একের পর এক জটিল অে’াপচার হচ্ছে৷ বহু জটিল রোগের চিকিৎসাও হচ্ছে৷
সম্পতি এ রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার সুুনামে আকৃষ্ট হয়ে কলকাতা থেকে এক ব্যক্তি আগরতলায় অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসার জন্য এসেছেন৷ তাঁর কোন আত্মীয়পরিজনও এ রাজ্যে নেই৷ এই ক্যান্সার হাসপাতালে পরিষেবার গুণগতমান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হবার পর তিনি এখানে আসার সিদ্ধান্ত নেন৷ কলকাতার তালতলার বাসিন্দা ৫৪ বৎসর বয়সী এই ভদ্রলোকের মুখে ক্যান্সার ধরা পড়ে ২০১৮ সালে৷ জানা গেছে তিনি জর্দা দিয়ে পান খেতেন এবং গুটকা জাতীয় নেশা সামগ্রীও মুখে চুষে নেশা করতেন৷
২০১৮ সালে তার কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে অস্ত্রোপচার হয়৷ এছাড়া তাকে রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি দেওয়া হয়৷ পুনরায় তার ক্যান্সার ধরা পড়লে ২০২০ সালে আবার অস্ত্রোপচার হয়৷ এবার তিনি আগরতলাস্থিত এবিভি রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারের সুুনাম শুনে সোজা আগরতলায় উন্নততর চিকিৎসার জন্য চলেআসেন৷ গত ১ এপ্রিল চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা করে, এম আর আই ও এফ এন এ সি করার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়৷ ডাঃ বিশ্বজিৎ দেববর্মা ও ডাঃ প্রীতেশ রাজীব সিং তাকে পরীক্ষা করেন৷ যেহেতু আগে দুবার অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বছর তিনেক আগে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে৷
আজ রেডিয়েশন অঙ্কোলজিষ্ট ডাঃ বিশ্বজিৎ দেববর্মা, রেডিওলজিষ্ট ডাঃ পৃথীরাজ সেনগুপ্ত, প্যাথোলজিষ্ট ডাঃ মিলি দাস এবং সার্জিক্যাল অঙ্কালজিস্ট ডাঃ প্রীতেশ রাজীব সিং কে নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তার এম আর আই রিপোর্ট ও জিহ্বার বায়োপসি রিপোর্ট দেখার পর আগামী দিনে তাকে কি চিকিৎসা করা হবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ এবিভি রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারের মেডিকেল সুুপারিটেনডেন্ট ডাঃ গৌতম মজমদার এ সংবাদ জানিয়েছেন৷



















