News Flash

  • Home
  • দেশ
  • শুভেন্দু অধিকারী সরকারের শিক্ষাদফতর ভাগের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে একাধিক লক্ষ্য: বিজেপি সূত্র
Image

শুভেন্দু অধিকারী সরকারের শিক্ষাদফতর ভাগের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে একাধিক লক্ষ্য: বিজেপি সূত্র

কলকাতা, ১১ জুন (আইএএনএস): শুভেন্দু অধিকারী সরকারের সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভায় স্কুল শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতরের জন্য পৃথক দুই মন্ত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্তের পিছনে একাধিক কৌশলগত লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র।

নতুন দফতর বণ্টনে সাংবাদিক-থেকে-রাজনীতিক হওয়া জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-কে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী এবং বিজেপির প্রবীণ বিধায়ক দীপক বর্মণ-কে স্কুলশিক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে।

এই ব্যবস্থা পূর্ববর্তী মমতা ব্যানার্জী নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রচলিত রীতির থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। গত ১৫ বছরে রাজ্যের গোটা শিক্ষাদফতরের দায়িত্ব একজন মন্ত্রীর হাতেই ছিল।

তৃণমূল আমলে পর্যায়ক্রমে ব্রাত্য বসু, পার্থ চ্যাটার্জি এবং পরে আবার ব্রাত্য বসু শিক্ষাদফতরের দায়িত্ব সামলেছেন।

তবে স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য পৃথক মন্ত্রীর ব্যবস্থা পূর্ববর্তী বাম সামনে সরকারের সময় চালু ছিল। ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের শেষ বছরে পার্থ দে ছিলেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং সুদর্শন রায় চৌধুরী ছিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির এক রাজ্য কমিটির সদস্যের দাবি, পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পিছনে চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে।

প্রথমত, বিশেষায়িত নজরদারি। তাঁর মতে, স্কুলশিক্ষার প্রধান লক্ষ্য ছাত্রছাত্রীদের মৌলিক ভিত্তি তৈরি করা, অন্যদিকে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পেশাভিত্তিক শিক্ষা। তাই দুটি ক্ষেত্রের প্রকৃতি আলাদা হওয়ায় পৃথক মন্ত্রী নিজ নিজ ক্ষেত্রে আরও নিবিড়ভাবে নজর দিতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, পরিকল্পনা ও বাজেট বণ্টনের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা বৃদ্ধি। বিজেপি সূত্রের বক্তব্য, শিক্ষার প্রতিটি স্তরের জন্য আলাদা বাজেট ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন। পৃথক মন্ত্রী থাকলে বাজেটের যথাযথ ব্যবহার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর আরও কার্যকর নজরদারি সম্ভব হবে।

তৃতীয় লক্ষ্য হল ক্ষেত্রভিত্তিক নীতি প্রণয়ন। সূত্রের দাবি, স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হওয়ায় পৃথক মন্ত্রী থাকলে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের উপযোগী এবং কার্যকর নীতি গ্রহণ করা সহজ হবে।

চতুর্থ এবং শেষ লক্ষ্য হল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ানো। বিজেপি নেতার মতে, দুটি বৃহৎ দফতরের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজন একসঙ্গে সামলানো একজন মন্ত্রীর পক্ষে জটিল হয়ে পড়ে।

তাঁর কথায়, “দুটি দফতরের জন্য পৃথক মন্ত্রী থাকলে নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণ ও অনুমোদনের কাজ সহজ হবে। প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে।”

______ 

Releated Posts

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভে রাহুলের সঙ্গে দেখা করলেন জিতেন্দ্র সিং

নয়াদিল্লি, ২১ জুলাই (আইএএনএস): নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস এবং আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের…

ByByNews Desk Jul 21, 2026

নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থান বিক্ষোভে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি

নয়াদিল্লি, ২১ জুলাই (আইএএনএস): নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস এবং আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিবাদে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি…

ByByNews Desk Jul 21, 2026

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় ইউসিসি বিল ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ, সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি কংগ্রেসের

ভোপাল, ২১ জুলাই (আইএএনএস): মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনে মঙ্গলবার ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিল, ২০২৬ নিয়ে তুমুল বাগ্‌যুদ্ধ…

ByByNews Desk Jul 21, 2026

দিল্লিতে সিজেপি-র আন্দোলনে যোগ দেবেন মমতা, তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে লড়াই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

কলকাতা, ২১ জুলাই (আইএএনএস): নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের…

ByByNews Desk Jul 21, 2026
Scroll to Top