নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ ডিসেম্বর৷৷ আজব কান্ড ঘটল তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরে৷ সেই কান্ড ঘটালেন খোদ দপ্তরের অধিকর্তা আশুদেব দাস৷ ২৯ ডিসেম্বর তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের রদবদলের নির্দেশ জারি করেন তিনি৷ তাতে তিনি সকলকে ২ ডিসেম্বর ২০১৮ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট স্থানে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন৷ ২৯ ডিসেম্বর নির্দেশ জারি করে ২ ডিসেম্বর কাজে যোগ দেওয়ার আদেশে তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের কর্মদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ণ উঠেছে৷
রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হল তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তর৷ এই দপ্তরকে সরকারের আয়না হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ কিন্তু, দিনে দিনে অধঃপতন হচ্ছে এই দপ্তরের৷ কর্মসংসৃকতি বহু আগেই লাটে উঠেছে৷
রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচী জনগণের কাছে পৌছানোর জন্য তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরকে গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷ তাছাড়া, রাজ্যে সাংসৃকতিক ক্ষেত্রের পরিসর বৃদ্ধিতেও এই দপ্তরের প্রচুর দায়িত্ব রয়েছে৷ কিন্তু, বিভিন্ন সময়ে তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের প্রচুর গাফিলতি জনসমক্ষে উঠে আসছে৷
তেমনি একটি তথ্য উঠে এসেছে গ্রুপ-ডি পদে কর্মীদের রদবদল নিয়ে৷ গত ২৯ ডিসেম্বর তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের অধিকর্তা ১৪ জন গ্রুপ-ডি পদে নিযুক্ত কর্মীদের রদবদলের নির্দেশ জারি করেন৷ কিন্তু, নির্দেশনামায় উল্লেখ করা হয়েছে তাঁদের ২ ডিসেম্বর বা তার আগে নতুন ঠিকানায় কাজে যোগ দিতে হবে৷
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ণ উঠেছে, এত বড় ভুল সকলে কি করে এড়িয়ে গেলেন৷ অধিকর্তার স্বাক্ষরের পাশে ২৯ ডিসেম্বর তারিখটি উল্লেখ রয়েছে৷ দপ্তরের নির্দেশনামাতেও উল্লেখ রয়েছে ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮ এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে৷ ফলে, তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের এই কাজকর্মে সমালোচনার ঝড় বইছে৷ এই গাফিলতি কোনভাবেই বরদাস্ত করা উচিৎ নয় বলেও আওয়াজ উঠেছে৷
কারণ, দপ্তরের এই গাফিলতি রাজ্য সরকারকে কালিমালিপ্ত করেছে৷ সমালোচকদের মতে, এইভাবে দপ্তরগুলি কাজকর্ম চালিয়ে গেলে সরকার বদল হলেও, সুশাসন কায়েম করা কখনোই সম্ভব হবে না৷ বরং দপ্তরের কাজকর্মে রাজ্য সরকারকে বিভিন্ন সময়ে লজ্জিত হতে হবে৷



















