Posts of - 2018
বন্যা পরিস্থিতির কারণে কেরলে সাময়িক বন্ধ বিমান পরিষেবা
তিরুবন্তপুরম, ১৫ আগস্ট (হি.স.) : কেরলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বিমান পরিষেবা৷ রানওয়ে পুরোপুরি জলের তলায়৷ ফলে কোনও বিমান ওঠানামা করতেপারছে না৷ বেশ কিছু বিমানকে কোঝিকোড় ও তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দর দিয়ে অবতরণ করানো হচ্ছে৷ তবে তা সংখ্যায় বেশ কম৷ টানা বৃষ্টির জেরে স্বাধীনতার পর থেকে এত বড় বন্যা কেরলেহয়নি৷ কেরলের জেলাগুলি পুরোপুরি জলের নীচে৷ বন্যায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭৷ ১৪ জেলার মধ্যে ১১টি পুরোপুরি ভেসে গিয়েছে৷ কেরালার বিভিন্ন প্রান্ত জলমগ্ন৷ আপাতত বানভাসিদের জন্য ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজায়ন৷ যাঁরা নিজেদের জমি ও ঘর দুটোই হারিয়েছেন তাঁদের মোট ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়াহচ্ছে৷ যেখানে ৬ লক্ষ টাকা জমি কেনার, ৪ লক্ষ টাকা বাড়ি বানানোর৷ বন্যার্তদের মধ্যে যাদের গুরুত্বপূর্ণ নথি হারিয়ে গিয়েছে তাদের বিনামূল্যে নথি তৈরির আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন৷ বন্যাবিধ্বস্তপ্রত্যেক ত্রাণ শিবিরে কয়েক হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে৷ রাজ্যের স্কুলগুলিতেও আশ্রয় নিয়েছেন বন্যার্তরা৷ চারদিনের জন্য বন্ধ রয়েছে কোচি বিমানবন্দর৷ কোচি বিমানবন্দর পেরিয়ার নদীর তীরেরকাছে অবস্থিত৷ ফলে নদীর জল বিপদসীমার ওপরে দিয়ে বয়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে বিমানবন্দরেও৷ ইদ্দুকি বাঁধের স্লুইস গেট খুলে দেওয়া হয়েছে৷ ফলে জলস্তর আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা৷ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুন্নার সহ পার্বত্য এলাকাগুলিতে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে৷ ক্রমাগত ধ্বস ও জলস্তর বৃদ্ধির খবর মিলছে৷ কেরলের মুখ্যমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ৪০০ কোটিআর্থিক সাহায্য চেয়েছেন৷ ত্রাণ থেকে পুনর্বাসন কেন্দ্র সব খাতে কেন্দ্রকে পাশে থাকার আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর৷ এখনও পর্যন্ত বন্যা বিপর্যস্ত কেরলে ২০ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়েছে৷ ১০ হাজার কিলোমিটারসড়ক নষ্ট হয়েছে৷ ট্যুইট করেও বন্যায় আট হাজার কোটির আর্থিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ কেরলের প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে ‘ব্যতিক্রম বিপর্যয়’ঘোষণা করা হোক বলে কেন্দ্রে কাছে দাবি করেছে কেরল প্রশাসন৷ রবিবার কেরলের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথসিং৷ বন্যাবিধ্বস্ত কেরলের জন্য সেদিনই ১০০ কোটি টাকার অর্থ বরাদ্দ করে কেন্দ্র৷ যা পর্যাপ্ত নয় বলে জানাচ্ছে কেরল সরকার৷
নির্ঝঞ্ঝাটে অসমে উদযাপিত স্বাধীনতা দিবস, উড়েছে কালো পতাকা
গুয়াহাটি, ১৫ আগস্ট, (হি.স.) : যাবতীয় শংকা-উদ্বেগ কাটিয়ে শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে অসমে উদযাপিত হয়েছে ৭২-তম স্বাধীনতা দিবস। এই খবর লেখা পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিতহয়নি। রাজ্যের সর্বত্র শান্তি ও শৃঙ্খালার মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের সকল কাৰ্যসূচি সমাপন হয়েছে। তবে দু-এক জায়গা থেকে কালো পতাকা ওড়ানোর খবর পাওয়া গেছে। জানিয়েছেন রাজ্যেরপুলিশ-প্রধান কুলধর শইকিয়া। সংবাদসংস্থা হিন্দুস্থান সমাচার-এর সঙ্গে কথোপকথনে ডিজিপি শইকিয়া বলেন, রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। পুলিশ প্রশাসন সতর্ক ছিল। স্পর্শকাতর তিনসুকিয়া জেলায় আধা-সেনা ছাড়াও মোতায়েন করা হয়েছে অসম পুলিশের ব্ল্যাকপ্যান্থার বাহিনী। আলফা, এনএসসিএন-এর কষ়েকটি দল তিনসুকিয়া জেলার অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে প্রবেশ করার খবর পেয়ে সম্ভাব্য ঘনজঙ্গলে আধা-সেনা ও ব্ল্যাকপ্যান্থার অভিযান চালায়। ফলে পালিয়ে গেছে জঙ্গিদল। তবে শোণিতপুর জেলার ঢেকিয়াজুলি এবং ওদালগুড়িতে সন্দেহভাজন আলফা কালো পতাকা উত্তোলন করেছে বলে জানান ডিজিপি কুলধর শইকিয়া। জানান, ঢেকিয়াজুলিতে কালো পতাকাওড়ানোর খবর পেয়ে সঙ্গে-সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুলিশ তা নামিয়েছে। অন্যদিকে, বিটিএডি-র ওডালগুড়ি জেলার আমজুলি মিলনজ্যোতি এমই স্কুল প্রাঙ্গণেও কালো পতাকা তোলা হয়েছিল।আজ স্বাধীনতা দিবসের দিন সকালে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি স্কুল চত্বরে একটি কালো পতাকা তোলা হয়েছে দেখে খবর দেন পুলিশে। পুলিশ গিয়ে সেই কালো পতাকাও নামিয়েছে। এ কাজও আলফা(স্বাধীন)-এর বলে মনে করছে পুলিশ।…
স্বাধীনতা দিবসে উপত্যকা জুড়ে বনধের নিস্তব্ধ
শ্রীনগর, ১৫ আগস্ট (হি.স.) : স্বাধীনতা দিবসে উপত্যকা জুড়ে কোনও উৎসব নেই৷ তেরঙার দৃপ্ত ভঙ্গীতে দাঁড়িয়ে থাকার চেনা ছবিও নেই৷ তার বদলে আজকের কাশ্মীর বনধে নিস্তব্ধ৷ দোকান পাটবন্ধ, চলছে না যানবাহন৷ অদ্ভুত এক নীরবতা উপত্যকা জুড়ে৷ ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসে বনধ পালন করল কাশ্মীর৷ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ডাকা সেই বনধে সামিল হলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও৷ বুধবার সৈয়দ আলি শাহ গিলানি, মিরওয়াইজ উমর ফারুক ও মহম্মদ ইয়াসিন মালিক স্বাধীনতা দিবসের প্রতিবাদে উপত্যকায় বনধ ডাকেন৷ সেই বনধে সাড়া পড়ে কাশ্মীরে৷ প্রতিটি দোকান বন্ধ ছিল৷সরকারি অফিস, স্কুল কলেজ বন্ধ স্বাধীনতা দিবসের জন্য৷ কিন্তু যানবাহনও চলাচল করেনি বিশেষ৷ কিছু প্রাইভেট গাড়ি চোখে পড়লেও, তা সংখ্যায় ছিল বেশ কম৷ তবে স্বাধীনতা দিবসে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ রাখা হল জম্মু ও কাশ্মীরের ইন্টারনেট এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিষেবা। যদিও সে রাজ্যের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতাদিবসের দিনে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। তবে শুধুমাত্র বিএসএনএল-র ল্যান্ড লাইন পরিষেবাই স্বাভাবিক রাখা হয়। পরে অবশ্য বেলা ১২টারপর মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করে দেওয়া হয়েছিল৷ মোতায়েন করা হয় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়৷ সরকারি অফিসে পতাকা উত্তোলনের সময় যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না হয়, তার জন্যই বাহিনী মোতায়েন করাহয়৷ শের-ই-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্যপাল এন এন ভোরা৷ বিশেষ নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় গোটা কাশ্মীর৷ শহরে ঢোকা ও বেরোনোর রাস্তায় ছিল নাকা চেকিং৷
বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবস পালন আগরতলায়
আগরতলা, ১৫ আগস্ট, (হি.স.) : প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সংগতি রেখে আগরতলায় পালিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩-তম শাহাদত বার্ষিকী তথা সে দেশের জাতীয় শোকদিবস। আজ বুধবার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে শোক দিবস। এদিন সকাল আটটা নাগাদ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন সহকারী হাইকমিশনার মহম্মদ শেখাওয়াত হোসেন। এর পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্যঅর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন সহকারী হাইকমিশনার মহম্মদ শেখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেনপ্রথম সচিব মহম্মদ জাকির হোসেন ভুইয়াঁ, দ্বিতীয় সচিব মহম্মদ ইকবাল হোসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন। এই অনুষ্ঠানে মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিতছিলেন। দুপুরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশের জাতীর পিতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও কর্মধারার উপর ভিডিও এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা সভা এবংপ্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।




























